পাকিস্তানের নির্বাচনে প্রভাব দেখাতে পারেনি ইসলামি দলগুলো

ওমর ফারুক:

গতকাল বুধবার পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে নিজেদের প্রভাব ও সমর্থন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ইসলামী দলগুলো। গতবছরের উপ নির্বাচনে ধর্মভিত্তিক দলগুলো সফল না হলেও বিপুল পরিমাণ ভোট পেয়েছিল। ডন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, এবার জাতীয় নির্বাচনে এসব দলগুলো তেমন সুবিধা করে উঠতে পারেনি। জোটের আওতায় নির্বাচন করেও এসব দলের প্রার্থীরা অনেক কম ভোট পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪২ শতাংশ ভোট গণনায় ইসলামি দলগুলোর জোট মুত্তাহেদা মজলিসে আমল (এমএমএ) জাতীয় পরিষদের মাত্র ১৪ টি আসনে জয়ী হয়েছে। এ জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মাওলানা ফজলুর রহমান। এ জোটের সঙ্গে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে পাকিস্তান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, জমিয়তে আহলে হাদীস, জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তান, তেহরিকে জা’ফরিয়া পাকিস্তান ও তেহরিকে নেজামে মোস্তফা। ২০০২ সালে এসব দলগুলো মিলে জোট গঠন করে।

তবে আল্লামা খাদেম হুসাইন রেজওয়ার দল তেহরিকে লাব্বাইক পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ২৭৫টি আসনে প্রার্থী দিলেও একটি আসনেও জয়ী হতে পারেনি। তবে প্রাদেশিক আসনে ২টি সিট পেয়েছে তেহরিকে লাব্বাইক।

তেহরিকে লাব্বাইক পাকিস্তানের পক্ষ থেকে লাহোরে জাতীয় পরিষদের ২টি আসনে নারী প্রার্থী দিলেও কোনোটিতে তাদের প্রকাশ্যে ভোট চাইতে দেখা যায়নি। তবে জাতীয় পরিষদের আসন ১২৫, ১৩২, ১৩৫ এর কিছু এলাকায় ভোটারদের একত্রিত করতে পারলেও কোনো আসনে জয়ী হতে পারেনি এ দলের প্রার্থীরা। গত বছর লাহোরে অনুষ্ঠিত উপ নির্বাচনে এমএমএল ও টিএলপি ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে পর্যায়ক্রমে ৫ হাজার ও সাত হাজার ভোট পায়।

খবর: ডন উর্দু

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদচাপের মুখে পেছালো ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক
পরবর্তি সংবাদ‌‘মাহমুদুর রহমানের ওপর হামলা সাজানো নাটক’