রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা-ধর্ষণ সুপরিকল্পিত: মার্কিন রিপোর্ট

ফাতেহ ডেস্ক: রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সুপরিকল্পিত গণহত্যা ও গণধর্ষণ চালিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন সব তথ্য। প্রতিবেদনটি দেখার দাবি করে, খবর প্রকাশ করেছে রয়টার্স। আজই ২০ পৃষ্ঠার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হতে পারে।

রাখাইনে গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে মিয়ানমার। তাদের দাবি, বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে তারা। এমন দাবি অনেক আগেই নাকচ করেছে, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুসন্ধানি প্রতিবেদন বলছে- গণহত্যা, গণধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী সব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডই করেছে মিয়ানমারের সেনারা। আর এসব অপকর্ম তারা করেছে- শক্ত পরিকল্পনা করেই। রোহিঙ্গাদের ওপর তারা আক্রমণ চালিয়েছে আটসাঁট বেধে, সুসংগঠিত হয়ে।

২০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন বলছে, রাখাইনে চালানো নিধনযজ্ঞ অনেক বেশি নির্মম। সদ্যজাত শিশুকেও ঠাণ্ডা মাথায় খুন করতে দ্বিধা করেনি সেনারা। জীবন্ত কবর দেয়া, বড় কোনো গর্ত বা গণকবরে ছুড়ে ফেলে হত্যার শিকারও হয়েছে অনেকে।

ধর্ষণ করা হয়েছে সবার সামনেই। অপহরণের পর, বেঁধে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ শেষে, আধমরা করে ফেলে রাখার মতো লোমহর্ষক বর্ণনাও দিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে দেশছাড়া করতেই, এই বিস্তৃত পরিসরের নৃসংশতা। বলছে, মার্কিন অনুসন্ধান। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে, এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রায় এক মাস আগেই, এই প্রতিবেদন প্রকাশের কথা ছিলো। কিন্তু, মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যেই দেখা দেয় বিরোধ, পিছিয়ে যায় প্রকাশের দিন, বলছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদচট্টগ্রামে ট্রাকের চাপায় ৪ জনের মৃত্যু
পরবর্তি সংবাদরোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৩ সুপারিশ