আহত ছেলেকে দেখতে গিয়ে দুর্ঘটনায় নিহত একই পরিবারের ছয়জন

ফাতেহ ডেস্ক

ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের যাদিয়ায় পশ্চিম মান্দারি এলাকায় ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে একই পরিবারের ৬ জনসহ ৭ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে তিন নারী ও এক শিশু রয়েছে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মরদেহগুলো লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

দুর্বৃত্তের হামলায় আহত ছেলে নাদিমকে দেখতে শিশু সন্তান অমিত ও স্ত্রী নাছিমা আক্তার নিয়ে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে যাচ্ছিলেন শাহ আলম। সঙ্গে আরো ছিলেন আত্মীয় সামছুন নাহার, মেয়ে রোকেয়া বেগম এবং রুবেল হোসেন। চন্দ্রগঞ্জের সাদারঘর থেকে অটোরিকশা নেন তারা।

অটোররিকশাটি ঢাকা-লক্ষ্মীপুর মহাসড়কের পশ্চিম মান্দারি এলাকায় পৌঁছালে ভোলা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি মালবাহী ট্রাক চাপা দেয় তাদের।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, সিএনজি অটোরিকশাটি ট্রাকের নিচে পড়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে চালকসহ ৭ আরোহী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। পরে মরদেহগুলো উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। নিহত অটোরিকশা চালক নুর হোসেনের বাড়ি চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার নেয়ামতপুরে।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। লক্ষ্মীপুর ট্রাফিক বিভাগের কাছে কোন রেকার না থাকায় উদ্ধার কাজে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে।

প্রায় ৫ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর সকাল সাড়ে আটটার দিকে লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আগের সংবাদবিএনপি থেকে তারেক রহমানকে ২ বছরের জন্য অব্যাহতি দেয়া উচিত: ডা. জাফরুল্লাহ
পরবর্তি সংবাদনিউ ইয়র্কে মুসলিমদের ওপর হামলার পরিকল্পনার দায়ে আটক ৪