আন্দোলন করে বিপাকে পোশাক-শ্রমিকরা, মামলা খাওয়ার পাশাপাশি গণহারে হারাতে হচ্ছে চাকরি

ফাতেহ ডেস্ক

গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে মজুরি বাড়ানোর দাবিতে রাজধানী ও এর আশপাশের অঞ্চলগুলোতে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা। বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন সেন্টারের প্রধান কাজী রুহুল আমিন জানান, যেসব শ্রমিকরা স্লোগান দিয়েছে বা আন্দোলনের সময় কাজ বর্জন করেছে, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে ও যাদের কোন রকম শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তারা এখন চাকরি হারাচ্ছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফেকচারস এন্ড এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশনের প্রধান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যেসব শ্রমিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও অন্যান্য ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তাদের এখন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সাম্প্রতিক শ্রমিক আন্দোলন শেষ হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৭ কারখানা থেকে সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি শ্রমিক ছাটাই করা হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরকম ছাটাই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পোশাক শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা।

বাংলাদেশ গার্মেন্ট এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের প্রধান বাবুল আখতার বলেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ২৭ কারখানা থেকে অন্তত ৭ হাজার ৫৮০ জন শ্রমিককে ছাটাই করা হয়েছে। মঙ্গলবার শ্রমিক সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, আন্দোলনের অংশ নেওয়ায় এইচ এন্ড এম ও নেক্সটসহ অন্তত তিনটি ইউরোপীয় ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরি কারখানাতেও সম্প্রতি শ্রমিক ছাটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।

এইচআর/

আগের সংবাদআফগানিস্তানে তালেবানের জয়জয়কার
পরবর্তি সংবাদখালেদা জিয়ার কারারুদ্ধ জীবনের এক বছর