সেনারা গেলেই আফগানিস্তানে ইসলামি শাসনব্যবস্থা

ফাতেহ ডেস্ক

মার্কিন নেতৃত্বাধীন বিদেশি সেনা আফগানিস্তান ছাড়লে দেশটিতে ইসলামি শাসনব্যবস্থা কায়েমের পথ খুলে যাবে বলে জানিয়েছেন তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ। চলমান শান্তি আলোচনায় মার্কিন প্রশাসনকে আন্তরিক মনে হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জবিহুল্লাহ মুজাহিদ শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘নীতিগত অবস্থানের ওপর একটি সমঝোতা হয়েছে। এখন আমেরিকা যদি এ সমঝোতা বাস্তবায়ন করে এবং তারা যদি সততার সঙ্গে পদক্ষেপ নেয় ও সমঝোতার ওপর টিকে থাকে তাহলে ইনশাল্লাহ আফগানিস্তানে মার্কিন দখলদারিত্বের অবসান হবে।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘দেখে মনে হচ্ছে, ট্রাম্প প্রশাসন বেশ আন্তরিক।’

রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ইরানি গণমাধ্যম পার্সটুডে বলছে, তালেবান মুখপাত্র দাবি করেন, ‘আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হলে ইসলামি শাসনব্যবস্থা কায়েমের পথ খুলে যাবে।’

এ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানান তালেবান মুখপাত্র। জবিহুল্লাহ মুজাহিদ।

এদিকে, তালেবানরা এককভাবে ক্ষমতা দখল করতে চায় বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা নাকচ করে দিয়ে জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ‘কাবুল সরকার সহযোগিতা করলে কোনো যুদ্ধ কিংবা দ্বন্দ্বের প্রয়োজন হবে না।’

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদফিলিস্তিনিদের ত্রাণ সহায়তা বন্ধ করল যুক্তরাষ্ট্র
পরবর্তি সংবাদবিএসএফের গুলিতে এবার লালমনিরহাট সীমান্তে প্রাণ গেল বাংলাদেশি যুবকের