ব্যাংকে টাকা তোলার হিড়িক

ফাতেহ ডেস্ক

 আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, সাপ্তাহিক ছুটি ও ব্যাংক হলিডের কারণে টানা চার দিন বন্ধ থাকছে লেনদেন।

এ বছর আর গ্রাহকরা লেনদেন করতে পারবেন না। তবে এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। আর এ কারণে চলতি সপ্তাহে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক পড়েছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, শেষ কার্যদিবসে প্রয়োজনীয় লেনদেন সারতে সব ব্যাংকেই আজ ভিড় করেছেন গ্রাহকরা। প্রতিটি শাখায় রয়েছে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। অন্যদিকে গ্রাহক সেবা ও বার্ষিক হিসাব মেলাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা, পল্টন, গুলিস্তান, দৈনিক বাংলাসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যাংক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সোনালী ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মূলত টানা ৪ দিন বন্ধ থাকায় আজ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভিড় করেছেন গ্রাহকরা। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আজ ক্লোজিং ঘোষণা করায় বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন ব্যাংকাররা। অনেক ব্যাংকে কর্মীদের রাত পর্যন্ত কাজ করতে হতে পারে।

জানা গেছে, নগদ টাকার চাহিদা মেটাতে এক ব্যাংক আরেক ব্যাংক থেকে কলমানিতে প্রচুর ধার নিচ্ছে। এতেও চাহিদা না মেটায় ব্যাংকগুলো ধরনা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে।

১৬ ডিসেম্বরের পর থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও কলমানি থেকে দৈনিক গড়ে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা ধার করেছে বিভিন্ন ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আন্তঃব্যাংকে টাকা না পেলে ব্যাংকগুলো সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসে।

চাহিদা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্বল্প মেয়াদে টাকা দেয়। এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে কোনও অসঙ্গতিপূর্ণ লেনদেন যেন না হয়, সে জন্য ব্যাংকগুলোকে আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছে। আশা করছি সেটাও

আগের সংবাদঅস্ত্রসহ রাঙামাটিতে আটক ৩ উপজাতি সন্ত্রাসী
পরবর্তি সংবাদমোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ দুই দিন