অনলাইন লেনদেনে ওটিপি সতর্কতার পাশাপাশি সনদের তথ্যে জন্মনিবন্ধন-NID বাধ্যতামূলক করল বেফাক

বেফাক
নিজস্ব প্রতিবেদক | ফাতেহ২৪
কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ পরীক্ষার নিবন্ধন ও অনলাইন পেমেন্ট সংক্রান্ত জরুরি অবগতিপত্র ও দিকনির্দেশনা জারি করেছে। এতে অনলাইন পেমেন্ট প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা বিধান, ওটিপি (OTP) সংক্রান্ত সতর্কতা এবং নিবন্ধনে শিক্ষার্থীদের তথ্য নির্ভুলভাবে সংরক্ষণের জন্য জন্মনিবন্ধন সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বেফাকের দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

 অনলাইন লেনদেন ও আর্থিক নিরাপত্তা

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিজরি থেকে বেফাকের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নিবন্ধনের যাবতীয় ফি বা আর্থিক লেনদেন বেফাকের অনলাইন সফটওয়্যারে নির্ধারিত পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে।
  • অফলাইন লেনদেনের নিয়ম: অনলাইনের বাইরে অফলাইনে ফি জমা দিতে চাইলে অবশ্যই নির্ভরযোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে অথবা সরাসরি বেফাক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লেনদেন সম্পন্ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আগে অনলাইন থেকে পেমেন্ট স্লিপ ডাউনলোড করে সঙ্গে আনতে হবে।
  • প্রতারণা এড়াতে সতর্কতা: অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হবে। তবে অনলাইন পেমেন্ট প্রক্রিয়ায় বেফাক কর্তৃপক্ষ বা কোনো প্রতিনিধি কখনোই ফোনে বা অন্য মাধ্যমে ওটিপি (OTP) চাইবে না। কেউ বেফাকের দায়িত্বশীল পরিচয় দিয়ে ওটিপি চাইলে তা না দেওয়ার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত পেমেন্ট গেটওয়ে ছাড়া অন্য মাধ্যমে লেনদেন করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বেফাক কর্তৃপক্ষ তার দায় নেবে না।

জন্মনিবন্ধন ও NID অনুযায়ী তথ্য পূরণ আবশ্যক

পরীক্ষার নিবন্ধনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত সনদ প্রস্তুত করা হয়। তাই নিবন্ধনে ভুল এড়াতে শিক্ষার্থীদের নাম ও যাবতীয় তথ্য জন্মনিবন্ধন সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) সঙ্গে হুবহু মিল রেখে পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ নির্দেশনা: যেসব শিক্ষার্থীর এখনো জন্মনিবন্ধন সনদ বা NID তৈরি হয়নি, তাদের অনতিবিলম্বে তা সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেফাকের অনলাইন সফটওয়্যারে নিবন্ধনের সময় শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন বা NID-এর স্পষ্ট কপি সংযুক্ত (Attachment) করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

খুব শিগগিরই শুরু হচ্ছে নেগরান-মুমতাহিন আবেদন

বেফাক আরও জানিয়েছে, পরীক্ষক ও পরিদর্শক (নেগরান ও মুমতাহিন) সংক্রান্ত অনলাইন সফটওয়্যারের কাজ বর্তমানে চূড়ান্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। খুব শিগগিরই অনলাইনের মাধ্যমেই নেগরান ও মুমতাহিন পদের আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আগের সংবাদপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরে ঢাকার কঠিন শর্ত
পরবর্তি সংবাদজুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর কেবল ব্যক্তিবদল হয়েছে, গুণগত সংস্কার হয়নি: ইসলামী আন্দোলন