অনিয়মের কারণে তিতাস উপজেলায় ভোট স্থগিত

ফাতেহ ডেস্ক

চতুর্থ ধাপের উপজেলা নির্বাচনে কুমিল্লার তিতাস উপজেলা এবং বুড়িচংয়ে একটিসহ চারটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। আটক হয়েছেন দুই প্রিজাইডিং কর্মকর্তাসহ কমপক্ষে ১২ জন। এছাড়া ভোটের পরিবেশ নিয়ে তেমন কোন অভিযোগ নেই। তবে, কয়েকটি উপজেলায় ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া, হামলা, জাল ভোট ও ইভিএমে ভোট দিতে বাধা দেয়াসহ নানা অভিযোগ উঠেছে।

সারা দেশে ভোটগ্রহণ হয়েছে আট হাজারেরও বেশি কেন্দ্রে। ২২ জেলার ১০৬টি উপজেলায় নির্বিঘ্নে চলে ভোট। নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থানের কারণে অধিকাংশ জায়গা ভোট হয় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। তবে, গত তিন ধাপের ধারাবাহিকতায় এবারও ভোটার উপস্থিতি ছিলো কম।

কুমিল্লার বুড়িচংয়ের বারেশ্বর কেন্দ্রে ২ চেয়ারম্যান প্রার্থীদের সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ৩ জন আহত হয়েছে। এরপর সেখানে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এছাড়া অনিয়মের অভিযোগে তিতাসের উপজেলায় ভোট স্থগিত করা হয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফরহাদ হোসেন ফকিরকে লাঞ্ছনার ঘটনায় ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

ফেনী সদরের আমিন উদ্দিন কেন্দ্রে নৌকার প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় সতন্ত্র প্রার্থীর কয়েকজন সমর্থক আহত হয়েছে। ইভিএমে পছন্দের প্রতিকে ভোট দিতে বাধা দেয়ারও অভিযোগ করছেন ভোটাররা।

ভোলার তজুমুদ্দিনের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কোহিনুর বেগমের গাড়িতে হামলায়, আহত হন ৩ জন।

ঢাকার ধামরাইয়ের কান্দাপুটল প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নৌকার পক্ষে জাল ভোটে সহযোগিতার অভিযোগে প্রিজাইডিং অফিসার আবুল বাসারকে গ্রেপ্তার করা হয়। টাঙ্গাইলের বাসাইলে দক্ষিণপাড়া কেন্দ্রে একই অভিযোগে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা পারভীন সুলতাসহ দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ।

এছাড়া খুলনায় রূপসায় ভোট কেন্দ্রের সামনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি তাবুতে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আগের সংবাদ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভ্যাট আইন
পরবর্তি সংবাদএফ আর টাওয়ারের মালিক ফারুক-তাসভির রিমান্ডে