আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
কেরালা রাজ্যের পর দ্বিতীয় রাজ্য হিসেবে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বাতিলের প্রস্তাব এবার পাস হলো ভারতের পাঞ্জাব বিধানসভায়। গতকাল শুক্রবার বিতর্কিত আইনটি তাদের রাজ্যে কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাঞ্জাবের কংগ্রেসশাসিত সরকার। খবর এনডিটিভি।
এই আইনকে ‘বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করে প্রস্তাবে বলা হয়, ‘এটা স্পষ্ট যে সিএএ দেশের নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি, যা সংবিধানের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য, তার পরিপন্থী। ফলে কক্ষ থেকে সিএএ বাতিলের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে ভারত সরকারকে। যাতে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব প্রদানের মাধ্যমে কোনো বৈষম্যকে এড়ানো সম্ভব হয় এবং ভারতের সব ধর্মীয় সংগঠনের জন্য আইনের সাম্য নিশ্চিত করা যায়।’
পাশাপাশি এও জানানো হয়, এনআরসি ও তার সম্ভাব্য প্রথম ধাপ এনপিআর বিষয়ে পদক্ষেপ করা হচ্ছে দেশের এক শ্রেণির নাগরিককে বঞ্চিত করার জন্য।
পাঞ্জাবের মন্ত্রী ব্রহ্ম মহিন্দ্রা শুক্রবার বিধানসভায় প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।
উল্লেখ্য, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ থেকে ২০১৫ সালের আগে আগত অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সমালোচকদের মতে, এই আইন বৈষম্যমূলক এবং সংবিধানে বর্ণিত দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তির পরিপন্থী।
এর আগে কেরালা প্রথম কোনো রাজ্য হিসেবে এই আইনের বিরোধিতা করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়। কেরালা সরকার দেশের সর্বোচ্চ আদালতে আরজি জানিয়েছে যে সিএএ সংবিধানের ১৪, ২১ এবং ২৫ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন করেছে।
