করোনার পর ব্রাজিলে মিলেছে নতুন ভাইরাস ‘ইয়ারা’

ফাতেহ ডেস্ক

চীনে থেকে বিশ্বের ২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন সারাবিশ্বের বিজ্ঞানীরা। এরই মধ্যে নতুন আরেকটি ভাইরাসের সন্ধান পেয়েছেন ব্রাজিলের বিজ্ঞানীরা। যার ৯০ শতাংশ এখনো বিজ্ঞানীদের অজানা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি দেশটির বেলো হরিজোনটে শহরের পামপুলহা লেক থেকে নতুন এক প্রজাতির ভাইরাসের সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। দেশটির উপকথার দেবতার নামানুসারে ভাইরাসটির নাম দেওয়া হয় ‘ইয়ারাভাইরাস ব্রাসিলিয়েনসিস’ বা ‘ইয়ারাভাইরাস’।

ভাইরাসটি সম্পর্কে সম্প্রতি জীববিজ্ঞান বিষয়ক ওপেন অ্যাকসেস বায়ো-আর্কাইভ ওয়েবসাইটে একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বিজ্ঞানীরা নতুন এই ভাইরাসটি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছেন।

গবেষণা প্রবন্ধে ব্রাজিলের ফেডারেল ইউনিভার্সিটির ভাইরাসবিদ জোঁনাটাস আব্রাহাঁও জানান, সাম্প্রতিক সময়ে যেসব প্রজাতির ভাইরাস আবিষ্কার হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো জায়ান্ট ভাইরাস। যার জিনোম (জেনেটিক বৈশিষ্ট্য বা ক্রম) খুবই জটিল প্রকৃতির। এটি সাধারণ ভাইরাসের মতো না হওয়ায় এর জেনিটিক বৈশিষ্ট্য বিজ্ঞানীদের ধারণার বাইরে। এই ভাইরাস নিজস্ব ডিএনএ পুনর্গঠন ও নকল করতে পারে। তবে নতুন আবিষ্কৃত ইয়ারাভাইরাস এর থেকে অনেকটাই ভিন্ন।

কিন্তু কিছু কিছু ইয়ারাভাইরাস জায়ান্ট ভাইরাসের মতোই ডিএনএ পুনর্গঠন বা নকল করতে পারে বলে জানিয়েছেন জোঁনাটাস। তবে এ ভাইরাসের আদি রহস্য সম্পর্কে এখনো কিছু জানতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

জোঁনাটাস ও তার গবেষক দল সম্প্রতি চীনে উৎপত্তি হওয়া করোনাভাইরাস এবং নতুন আবিষ্কৃত ইয়ারাভাইরাসের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ১০১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংক্রমিত হয়েছেন আরো ৪২ হাজার ৬৩৮ জন। চীনের বাইরে আরো ২৮টি দেশে তিন শতাধিক মানুষ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ফিলিপাইন ও হংকংয়ে দুই জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কার করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

-এও

আগের সংবাদবয়স্ক হলেই ভাতা দেবে সরকার!
পরবর্তি সংবাদবাংলাদেশে ইসলাম সুরক্ষায় একমাত্র হাতিয়ার শেখ হাসিনা: প্রতিমন্ত্রী