
ফাতেহ ডেস্ক
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত হেনেছে কালবৈশাখি। ঢাকায় ঝড়ে দুর্ঘটনায় মারা গেছে ছয় জন। বিদুৎহীন হয়ে পড়ে নগরীর অনেক এলাকা।
রোববার বিকেল থেকে রাজধানীর আকাশ কিছুটা মেঘলা। আবহাওয়া গুমোট। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শুরু হয় বাতাস ও বৃষ্টি। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হয়।
অফিস ফেরত মানুষ পড়েন বিপদে। অনেককে ভিজেই ফিরতে হয় গন্তব্যে।
ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, প্রচণ্ড বাতাসে ঢাকার রমনা, শনির আখড়া, শেরেবাংলা নগর, মিন্টো রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। রাস্তার পাশের সাইনবোর্ড খুলে পড়ে।
ঝড়ো বাতাসে ভবন থেকে ইট পড়ে শেওড়াপাড়ায় এক পথচারী ও পল্টনে এক চা দোকানি এবং শনির আখড়ায় দেয়ালচাপায় এক রিকশাচালক মারা যান। আর শেরে বাংলা নগরে গাছ চাপায় এক নারী মারা যান। এছাড়া ঝড়ের মধ্যে বুড়িগঙ্গা নদীতে নৌকা ডুবে এক নারী ও তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে।
ঝড়-বৃষ্টির সময় ঢাকার বেশিরভাগ এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। ১৫ মিনিট পুরো ঢাকা ছিল বিদ্যুৎহীন। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উত্তরা, মিরপুর, কারওয়ান বাজার, ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিলো।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিলো ঘ্টায় ৭৪ কিলোমিটার। দেশের বিভিন্ন জায়গার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে এই কালবৈশাখী।
পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল, রাজশাহীর কিছু জায়গায় ঝড়- বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
