
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি বলেছেন, বিশেষ একপ্রকার মাংস খাওয়ার কারণে শিবসেনা, জনসংঘ, আরএসএস মানুষকে মারছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু কাশ্মীরে যে সংগঠন গরিবদের সাহায্য করছে, স্কুল চালাতে সাহায্য করছে তাদের ধরে ধরে জেলে ঢোকানো হচ্ছে। আমরা এই বিষয়কে কখনোই অনুমতি দেব না। এর ফলাফল মারাত্মক হতে পারে।
কাশ্মীরে সক্রিয় জামায়াতে ইসলামীকে ভারত কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) এ নেতা সাংবাদিকদের আরও বলেন, কাশ্মীরে গণপিটুনিতে যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অথচ দরিদ্রদের যারা সাহায্য করছে তেমন একটি সামাজিক সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এর ফলাফল ভয়ঙ্কর হবে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের সেখানে গণহারে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে মেহবুবা বলেন, গ্রেফতার করে একটা মতাদর্শকে চেপে রাখা যায় না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।
উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী গাড়িবোমা বিস্ফোরণে ভারতের ৪০ জনেরও বেশি জওয়ান নিহত হয়। এই হামলার পর প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তজনা ছড়িয়ে পড়ে।
আর এই হামলার রেশ ধরেই জম্মু এবং কাশ্মীরের ইসলামি রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার।
গত দুই সপ্তাহে রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর অনেক নেতাকর্মীকে তুলে নিয়ে যায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
