গোপনে চলছে গ্যাস উন্নয়ন তহবিলের অপারেশন

ফাতেহ ডেস্ক:

গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে চলছে ডিজিএফ’র (গ্যাস উন্নয়ন তহবিল) অপারেশনের কাজ। খোদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, কি ধরণের সংশোধন হচ্ছে সেটা তার জানা নেই।

কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ক্যাব) জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেছেন, অন্যায় কিছু করা হলে কোর্টে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। এই ফান্ডের অনেক নয়-ছয় করা হয়েছে। ভোক্তারা এই ফান্ড গঠন করার জন্য টাকা দিচ্ছে। কিন্তু তাদের স্বার্থই দেখা হয়নি। এই টাকা জনগণের টাকা। এখানে হাত দেওয়ার এখতিয়ার মন্ত্রণালয় কিংবা পেট্রোবাংলাকে কে দিয়েছে।

সম্প্রতি এক সভায় খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সভায় অংশ নেওয়া একাধিক কর্মকর্তা সংশোধনীর বিষয়ে বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন। তারা বলেছেন, বৈঠকে উত্থাপিত সংশোধনীতে এই ফান্ডকে গ্যাস বিক্রির উদ্ধৃত অর্থ হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া এই তহবিল থেকে প্রদত্ত ঋণের সুদ পেট্রোবাংলার তহবিলে নেওয়া এবং এলএনজি ক্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।

তহবিলটি গঠন করাই হয়েছিল তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও সংস্কারে ব্যবহার করার জন্য। ২০০৯ সালের ৩০ জুলাই গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির আদেশ দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সঙ্গে জিডিএফ গঠনের জন্য ভোক্তাদের উপর প্রতি ঘনমিটারে ৪৬ পয়সা অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করা হয়। যা ২০০৯ সালের আগস্ট থেকে কার্যকর করা হয়। ওই গণশুনানিতে বলা হয়েছিল দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন সংকটের কারণে যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে না।

প্রকল্প নিয়ে বিদেশি সাহায্যের জন্য বসে থাকতে হয়, এতে কাজে অনেক বিলম্ব হয়। আর ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে দাতাদের নানা রকম শর্ত ও ফরমায়েশ থাকে। এতে অনেক সময় প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। তাই এই ফান্ড হবে সুদমুক্ত। এই ফান্ডের অর্থ দিয়ে দেশীয় কোম্পানিগুলো প্রকল্প গ্রহণ করবে। যাতে দেশের গ্যাস সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়। ভোক্তারা সাশ্রয়ী মূল্যে গ্যাস পাবেন।

আগের সংবাদজেরুজালেমের একটি মসজিদ ভেঙে ফেলার আদেশ ইজরাইলি আদালতের
পরবর্তি সংবাদপেঁয়াজ নিয়ে গতবারের মত সংকট হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী