
ফাতেহ ডেস্ক
দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারিকে আজ অ্যাকাউন্টিবিলিটি কোর্টে হাজির করা হয়েছে।
তার ১৪ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়েছে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো। জারদারির আইনজীবীরা বলছেন, জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এখতিয়ার অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরোর নেই। এদিকে, জারদারির গ্রেপ্তারের বিরোধীতা করে বিক্ষোভ করেছে পাকিস্তান পিপুলস পার্টির সমর্থক ও নেতাকর্মীরা।
দুর্নীতির মামলায় পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও পিপলস পার্টির নেতা আসিফ আলি জারদারির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে, রোববার আদালতে আগাম জামিন আবেদন করেন তিনি। তবে সোমবার তা খারিজের পর পরই তাকে গ্রেপ্তার করে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো।
পাকিস্তানের গণমাধ্যম ডন বলছে, ভুয়া ব্যাংক হিসাবের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাবেক প্রেসিডেন্ট জারদারিকে। তবে তার এ অ্যাকাউন্ট থেকেই কয়েকশ কোটি রুপি বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
জারদারির আইনজীবী লতিফ খোসা বলেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে এটি আরেকটি কালো দিন। জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির এখতিয়ার ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরোর নেই। আমরা তাকে বলেছি আদালত তার পক্ষে রয়েছে, তারপরও তিনি স্বেচ্ছায়ই গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এ ঘটনায় বিক্ষোভ করেছেন পিপলস পার্টির নেতা-কর্মীরা। তবে তাদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে জারদারির ছেলে, পিপিপির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো বলেছেন, জারদারির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে।
পাকিস্তান পিপলস্ পার্টির নেতা বুরহান চানদিও বলেন,আমরা অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরোর বিপক্ষে নই। তবে সবার জন্য আইন সমান হতে হবে। আমাদের নেতার ওপর অযাচিত চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, আমরা আমাদের নেতার পাশেই রয়েছি। এখন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান পিপলস পার্টির গুরুত্ব বুঝতে পারবেন।
২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন জারদারি। এর আগে, দুর্নীতি ও হত্যার মামলায় ১১ বছরের কারাভোগ করলেও কোনো মামলাতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হননি।
