টেক্সাসে শ্বেতাঙ্গ বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

টেক্সাসে এক শ্বেতাঙ্গ বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ২৬ জন। শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকোর সীমানা থেকে খানিকটা দূরে এল পাসোর ওয়ালমার্ট সুপার সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্পেশাল উইপন অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম সন্দেহজনকভাবে ২১ বছর বয়সী শ্বেতাঙ্গ এক যুবককে আটক করেছে।

টেক্সাস পুলিশ বলছে, আটককৃত ওই ব্যক্তি একাই এই গোটা হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আটককৃত ওই শ্বেতাঙ্গ যুবকের নাম প্যাটট্রিক ক্রুসিয়াস। তিনি ডালাসের বাসিন্দা।

ফ্রান্সভিত্তিক সংবাদ সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে হামলাকারী ওই শ্বেতাঙ্গ তরুণের ছবি প্রকাশ করেছে। দেখা যাচ্ছে, মাথায় হেডফোন পরে অ্যাসল্ট রাইফেল নিয়ে নির্বিচারে গুলি করে যাচ্ছেন। যারা নিহত হয়েছেন তাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দুটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের সরকারি কর্তৃপক্ষ সিএনএনকে বলছে, হামলার আগে হামলাকারী ক্রুসিয়াসের একটি অনলাইনে পোস্ট পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সেখান থেকে হয়তো কিছু সূত্র চিহ্নিত করা যেতে পারে।

টেক্সাসের ম্যাকিনি জেলার প্রেসিডেন্ট ডা. নিল ম্যাটকিন এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, স্থানীয় কলিন কলেজ অব ম্যাকিনিতে বন্দুক হামলাকারী প্যাট্রিক ক্রুসিয়াস ২০১৭ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, ‌‘আজ (শনিবার) টেক্সাসের এল পাসোতে বন্দুক হামলার ঘটনা শুধুমাত্র ট্রাজিক নয় এটা হলো কাপুরুষতার একটা কাজ। আমি দেশের সবার সঙ্গে আজকের এই বিদ্বেষমূলক ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছি। নিরীহ মানুষকে মেরে ফেলার বৈধতা দেয়ার পেছনে কোনো কারণ থাকতে পারে না।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডে ভয়াবহ একটি বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলাও চালিয়েছিলেন শ্বেতাঙ্গ এক যুবক। দুটি মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর নির্বিচারে গুলি করে ৫০ জনকে হত্যা করে সে। হামলাকারী ব্রেন্টন ট্যারান্ট সেই হত্যার ঘটনা ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচারও করে।

আগের সংবাদসৌ‌দি পৌঁছলেন ১ লাখ ১৭ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রী
পরবর্তি সংবাদচিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ডেঙ্গু পরীক্ষা নয়