ঢাকা-চট্টগ্রামের পরই করোনার ভয়াবহতা বেশি কুমিল্লায়

ফাতেহ ডেস্ক:

ঢাকা-চট্টগ্রামের পর দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি কুমিল্লায়। সরকারি হিসেবে ২২ আগস্ট পর্যন্ত জেলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৬৩ জন। এদিকে, করোনা লক্ষণ ও উপসর্গ নিয়ে আড়াই মাস ধরে শুধুমাত্র কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই প্রতিদিন গড়ে মারা যাচ্ছেন ৫ জন। মৃত্যু ও সংক্রমণের ভয়াবহতার জন্য অসচেতনতাই মূল কারণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালু হয় ৩ মার্চ। এরপর থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত সেখানে মারা গেছেন ৩৭৮ জন। যার মধ্যে ৩২৮ জনেরই মৃত্যু হয়েছে করোনার লক্ষণ ও উপসর্গ নিয়ে। বাকি ৫০ জন ছিলেন করোনা পজেটিভ।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় প্রাণহানি বাড়ায় উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরাও। তারা জানান, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরপরই না এসে শেষ মুহুর্তে চিকিৎসা নিতে আসার কারণে মারা যাচ্ছেন রোগীরা। এছাড়া, পাশের জেলা থেকে চিকিৎসা নিতে এসেও অনেকে কুমিল্লায় মারা যাচ্ছেন। তাই জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা বাড়ছে।

জেলা করোনা প্রতিরোধে কমিটির সমন্বয়ক জানান, করোনা সংক্রমণ ও মত্যুর হার কমাতে যুবকদের আরো সচেতন হতে হবে। তরুণদের মধ্যে মৃত্যুহার কম হলেও মূলত তাদের মাধ্যেমই বয়স্করা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছেন।

কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য মতে, এ পর্যন্ত কুমিল্লা জেলায় প্রায় ৩০ হাজার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

আগের সংবাদসত্যকে কেউ কখনও মুছে ফেলতে পারে না
পরবর্তি সংবাদকলম্বিয়ায় পৃথক তিনটি হামলায় ১৭ জন নিহত