
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আরবলীগ তালিবান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনায় কাতারের ভূমিকার প্রশংসা করেছে বলে নিশ্চিত করেছে কাতারের সরকারী বার্তাসংস্থা কিনা।
কায়রোতে ৪ মার্চ অনুষ্ঠিত আরবলীগের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের নিয়মিত বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘কাতারের মধ্যস্থতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় আফগানিস্তানে টেকসই ও ব্যাপকভিত্তিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রক্রিয়া সম্পন্নে এই চুক্তিসই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।’
আরবলীগ আরো বলেন, ’আফগান জনগণের নিরাপদ ভবিৎষত নিশ্চিত করতে সমাজের সকল সম্প্রদায়ের কাধে কাধে মিলিয়ে শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে হবে বলে আরবলীগ মনে করে।”
উল্লেখ্য, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং তালেবান নেতাদের উপস্থিতিতে একটি শান্তিচুক্তি সই হয়। আফগান বিষয়ে মার্কিন বিশেষ দূত জালমি খলিলজাদ ও তালেবানের পক্ষে মোল্লা আবদুল গনি বারদার ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তালেবানদের দেওয়া শর্ত মেনেই যুক্তরাষ্ট্র এ চুক্তিতে সই করেছে।
চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান ছাড়তে হবে মার্কিন ও ন্যাটো সেনাদের। এখন থেকে আফগানিস্তানে কোনো হামলা চালাবে না তালেবান। নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে আল-কায়েদাকে কোনো তৎপরতা চালাতে না দেওয়ারও অঙ্গীকার করেছে তারা।
মিসর, আরব আমিরাত ও সৌদিআরব প্রভাবিত আরবলীগে কাতারের এই ভূমিকার প্রশংসা নতুন সমীরণের সূচনা হতে পারে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।
