
ফাতেহ ডেস্ক
আগামী বছরের শুরু দিন দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেসের জন্য ২হাজার টাকা করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন এমপি। শনিবার কুড়িগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাকির হোসেন এমপি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। মেধাবী জাতী গঠনে প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কারণ আজকের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ২০৪১ সালে যুবক হবে। যারা নেতৃত্ব দেবে উন্নত রাষ্ট্রের। তাই আগামী বছরের শুরু দিন দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি স্কুল ড্রেসের জন্য দেয়া হবে ২হাজার টাকা।
মন্ত্রী বিকাল ৩টায় কুড়িগ্রাম পৌরসভার ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চতকরণে পরীক্ষামূলকভাবে এক শিফটের বিদ্যালয়ের সময়সূচীর (ক্লাস রুটিন) উদ্ভোধন করেন। এ বিদ্যালয়ে এখন থেকে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে শরীরচর্চা ও ১০টা ক্লাস শুরু হবে। ৪৫মিনিট ক্লাস করবার পর ১৫মিনিট বিরতী। এসময় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের খেলার ছলে পড়াবেন। আর ছুটি হবে বিকাল ৩টা ৪৫মিনিটে।
এসময় তিনি বলেন, আনন্দপূর্ণ পাঠদান কার্যক্রম চালু করার লক্ষে পরীক্ষা মুলক ৪টি স্কুল বাছাই করা হয়েছে। স্কুলগুলো হলো- কুড়িগ্রাম পৌরসভার ১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নেত্রকোনার ৩৬নং বালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাগুরা জেলার হাজিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সফলতা পেলে সকল বিদ্যালয়ে একই সময় সুচি চালু করা হবে। শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা ৩০মিনিটের বিশ্রামের সময় পাবেন। প্রতি ক্লাসের শেষে ১৫মিনিটের বিশ্রামের সময়ে খেলার ছলে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হবে।
জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান বাবুল, রংপুর বিভাগীয় উপ-পরিচালক আব্দুল ওহাব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম,জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট আহসান হাবীব নীলু, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, তৌফিকুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, লস্কর আলী প্রমূখ। সভায় জেলার সকল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারী উপজেলা ইন্সট্রাক্টর, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর, পিটিআই ইন্সট্রাক্টর, উপজেলা প্রকৌশলী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পিটিআই সুপারসহ প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সকল কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
