
ফাতেহ ডেস্ক
প্রায় সাত মাস আগে এই নতুন তিনটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে বলে জানান প্রকল্প ব্যবস্থাপক শওকত আহমেদ মজুমদার।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এই প্রথম কোনও বড় প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগে সম্পন্ন হয়েছে এবং ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে। এটি বাংলাদেশ ও বর্তমান সরকারের জন্য একটি মাইফলক ও দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এটি সম্ভব হয়েছে দুটি কারণে— সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মনিটরিং এবং জাপানের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও তাদের কর্মদক্ষতার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।’
মেঘনা সেতুর আবাসিক প্রকৌশলী শেখ জহির উদ্দিন বলেন, ‘জাপানের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি এসপি এসপি ফাউন্ডেশন ও স্টিল কনক্রিট কম্পোজিটের ওপর এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজ ব্যবহারের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার-পাঁচ মাস আগে নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বাংলাদেশে এই প্রথম এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এতে করে একদিকে যেমন সরকারে টাকা সাশ্রয় হয়েছে। অন্যদিকে, সেতুটি খুলে দেওয়া হলে এ পথে চলাচলকারী যাত্রী ও চালকদের যানজটের ভোগান্তি লাঘব হবে।’
