
ফাতেহ ডেস্ক:
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য জোরদারে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন কো-অপারেশন অ্যান্ড মিউচ্যুাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ইন কাস্টমস ম্যাটারস’ এর অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রীসভার সাপ্তাহিক ভার্চুয়াল বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। এর আগে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা বৈঠকে যুক্ত হন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাত দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চুক্তিটি না হওয়ায় আমাদের অনেকগুলো পণ্য তুরস্কে ঢুকতে পারছে না এবং সেখানে রপ্তানি কমে গেছে। এ ব্যাপারে তাদের সঙ্গে কথা বলার পরই তারা চুক্তি কমপ্লিট করতে বলেছে। সেটির আওতায় বুঝা যাবে যে, কোন পণ্যগুলো সাবস্টিটিউট আর কোন পণ্য কমপ্লিমেন্টারি। তখন কমপ্লিমেন্টারি পণ্যগুলো লাভবান হবে। আর সাবস্টিটিউট পণ্যে খুব একটা সুবিধা দেয়া সম্ভব হবে না।
তাই যতক্ষণ পর্যন্ত চুক্তি না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশ লাভবান হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, এই চুক্তি না হওয়ার ফলে তুরস্কে গত ২ থেকে ৩ বছরে আমাদের ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি কমে গেছে। চুক্তি হলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়বে এবং উভয় দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ সুসংহত হবে।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, চুক্তি হয়ে গেলে পণ্যের অবৈধ বাণিজ্য ও চোরাচালান প্রতিরোধ করাও সম্ভব হবে। কারণ তখন এক দেশ অপর দেশকে তথ্য দিতে পারবো। আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তুরস্ক থেকেও পণ্য আমদানি করতে পারবো। এতে করে দুই দেশের অর্থনীতি, জনস্বার্থ ও অন্যান্য স্বার্থ কার্যকর হবে এবং আর্থিক গোয়েন্দা কার্যক্রমে সহায়তা করবে।
