
ফাতেহ ডেস্ক
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদ্রাসাছাত্র আবির হোসেনকে মাথাকেটে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে মাঠে নেমেছে র্যাবের ডগ স্কোয়াড এবং পানিতে খোঁজ করার জন্য খুলনা থেকে আনা হয়েছে ডুবুরি। বুধবার (২৪ জুলাই) বেলা আনুমানিক সাড়ে ৩টা থেকে পুকুরে খোঁজাখুঁজির পর আজ সকাল ১০টার দিকে মাদ্রাসার পাশে মশিউর রহমানের পুকুর থেকে ডুবুরি আবিরের কাটা মাথা উদ্ধার করে।
এর আগে বুধবার সকালে কয়রাডাঙ্গা গ্রামের একটি ইটভাটার পাশে ভালাইপুর মাঠের একটি আম বাগানে কয়রাডাঙ্গা নূরানী মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রথম শ্রেণির ছাত্র আবির হোসেনের (১১) মস্তকবিহীন লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
আবির হোসেন হত্যাকাণ্ডে প্রাথমিক তদন্ত এবং উক্ত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ডাক্তারদের মতামতের ভিত্তিতে জানা গেছে বলৎকার পূর্বক ভিকটিমকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মাহাবুবুর রহমান পিপিএম তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এসব তথ্য জানান। তিনি আরও বলেন, ছেলে ধরা গুজবের সাথে এই ঘটনার কোন সম্পর্ক নেই। এ ঘটনার সাথে কে বা কারা জড়িত রয়েছে তাদের অতি দ্রুত শনাক্ত এবং গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে আবির হোসেন তার কয়েকজন সহপাঠির সাথে রাতে এশার নামাজ পড়ার জন্য রুমের বাইরে আসে ওযু করার জন্য। এসময় অন্যরা ওযু সেরে নামাজ পড়তে যাচ্ছিল তখন আবির হোসন বসে ওযু করছিল। তার সহপাঠিদের বলে তোরা যা আমি আসছি। এরপর রাতে খাবার খাওয়ার সময় তার অনুপস্থিতির বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। সাথে সাথে মাদ্রাসার হুজুর, সহপাঠি ও গ্রামবাসী মিলে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিন্তু তার কোন সন্ধান পায়নি। রাতে বিষয়টি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়। বুধবার সকালে কয়রাডাঙ্গা গ্রামের একটি ইটভাটার পাশে ভালাইপুর মাঠের একটি আম বাগানে স্থানীয়রা আবিরের মাথা বিহীন লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
