যুদ্ধ এড়াতে পুতিন ও এরদোয়ান শীর্ষ বৈঠক

ফাতেহ ডেস্ক

সিরিয়ার একমাত্র বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত প্রদেশ ইদলিব নিয়ে তুরস্ক এবং সিরিয়ার মধ্যে এখন কার্যত যুদ্ধ চলছে।
যে কোনো মুহূর্তে রাশিয়া এই যুদ্ধে তুরস্কের প্রতিপক্ষ হয়ে যেতে পারে – এই আশঙ্কা দিন দিন বাড়ছে।

ইদলিবে গত কদিনের হামলা পাল্টা হামলায় সিরিয়া এবং তুরস্ক দুপক্ষেরই ক্ষয়ক্ষতি প্রাণহানি হয়েছে।

বুধবার তুরস্ক তাদের দুজন সৈন্যের নিহত হওয়ার খবর স্বীকার করেছে। এ নিয়ে ইদলিবে নিহত তুর্কি সৈন্যের সংখ্যা সরকারি হিসাবেই ৫০ ছাড়িয়ে গেছে।

অন্যদিকে তুরস্ক সিরিয়ার তিনটি যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে এবং দাবি করেছে তাদের হামলায় ছয়শরও বেশি সিরিয় সৈন্য এবং শিয়া মিলিশিয়া মারা গেছে।

এখনও তুরস্ক সিরিয়ায় সরাসরি রুশ সৈন্য বা রুশ যুদ্ধ বিমান টার্গেট করেনি, কিন্তু পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে তেমন ঘটনা মাত্র সময়ের ব্যাপার বলে সামরিক বিশ্লেষকদের অনেকেই আশঙ্কা করছেন।

তুরস্ক নেটো জোটের সদস্য এবং সৈন্য সংখ্যার বিচারে জোটের সবচেয়ে বড় সামরিক শক্তি। তবে পারমানবিক শক্তিধর রাশিয়ার সাথে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি সম্পর্কে তুরস্ক ওয়াকিবহাল।

সে কারণেই হয়ত প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাথে মুখোমুখি কথা বলতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান আজ মস্কো যাচ্ছেন যাতে ইদলিবের সংঘাত আয়ত্তের বাইরে না চলে যায়।

বুধবার আঙ্কারায় ক্ষমতাসীন একে পার্টির সদস্যদের এক সভার পর মি. এরদোয়ান বলেন, মস্কোতে গিয়ে তিনি ইদলিবে দ্রুত একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য চেষ্টা করবেন।

-এ

আগের সংবাদকরোনা ঠেকাতে কী পদক্ষেপ, জানতে চায় হাইকোর্ট
পরবর্তি সংবাদদিল্লির সহিংসতা ও সিএএ নিয়ে ব্রিটেনের উদ্বেগ