লালমনিরহাটের গণধোলাইয়ে জঙ্গি সম্পৃক্ততা ছিল না

ফাতেহ ডেস্ক:

রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল ওয়াহাব ভূঞা বলেছেন, বুড়িমারীতে আবু ইউসুফ শহিদুন্নবী জুয়েল নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত অমানবিক এবং দুঃখজনক। এ ঘটনায় জঙ্গি সম্পৃক্ততা ছিল না। স্থানীয় উত্তেজিত উচ্ছৃঙ্খল জনতাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়েও তাদের থামাতে পারেনি। এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে গিয়ে আবু ইউসুফ শহিদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের শহীদ আফজাল মিলনায়তনে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর, পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা ও পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুননাহার তার সঙ্গে ছিলেন।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ইতোমধ্যেই তিনটি মামলা হয়েছে। আইনানুগ যে পদ্ধতি সে অনুযায়ীই বিচার হবে। এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করার জন্য আমাদের অনেকগুলো প্রসেস (পদ্ধতি) রয়েছে, আমরা সেগুলো করছি।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য তিনটি মামলা দায়েরের তথ্য জানিয়ে বলেন, ‘এ ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে একটি হত্যা মামলা, এটি করেছেন নিহতের আত্মীয়। অপরটি ইউনিয়ন পরিষদ ভাঙচুরের মামলা, সেটি করেছেন বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং আরেকটি এ ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে পুলিশ সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলা। এ মামলাটি করেছে পুলিশ। এসব মামলায় যাদের আমরা এরই মধ্যে শনাক্ত করতে পেরেছি তাদের আসামি করা হয়েছে। বাদ বাকি আসামিদের আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’

আগের সংবাদনোয়াখালীতে বাবার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা!
পরবর্তি সংবাদজড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে: বিভাগীয় কমিশনার