
ফাতেহ ডেস্ক:
স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার বেশ কয়েক জন সদস্য রোববার টিকি নিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী টিকা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী রোববার সকালে মহাখালী শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনার টিকা নিয়েছেন। পরে এখানে আরো কয়েকজন মন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তি টিকা নিয়েছেন। সকাল নয়টা থেকে সারা দেশে করোনার টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে এক অনুষ্ঠানে অনলাইনে সারা দেশের সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি টিকাদানের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বছরব্যাপী টিকার কার্যক্রম চলবে। আমাদের টিকা আসতে ছয় মাস লাগবে। এরপর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টিকা আসবে।’ তিনি বলেন, টিকার অ্যাপ আছে। আর অ্যাপে সমস্যা হলে ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্রে টিকার নিবন্ধন করা যাবে।
এরপর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক অধ্যাপক সামন্তলাল সেনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিরা শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল কেন্দ্র থেকে করোনার টিকা নেন।
এদিকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীকে টিকাদানের মধ্য দিয়ে রোববার চট্টগ্রামে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপমন্ত্রীর পর হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ূন কবির, সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি, চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আনোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি টিকা নেন।
