
ফাতেহ ডেস্ক
সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য গঠিত দুটি কমিটি সময়মতো প্রতিবেদন জমা দিতে ব্যর্থ। শাজাহান খানের কমিটি বৈঠক করেছে মাত্র ৬টি আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা এখনও বসতেই পারেননি। সুপারিশের কমিটি সময় বাড়াতে চাইছেন, আর আইন কমিটি প্রস্তুত হচ্ছেন বৈঠকের জন্য। এরই মধ্যে পেরিয়ে গেছে তাদের ১৪ কর্মদিবসের সময়সীমা। এই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারকে আরো তড়িৎ পদক্ষেপ নেয়ার তাগিদ দিলেন গবেষকরা।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি গঠিত হয় কমিটি দুটো। একটির নেতা সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, আরেকটির দায়িত্ব স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর সুপারিশ দেবে একটি কমিটি, আরকেটি তৈরি করবে সড়ক পরিবহন আইনের বিধি। তাদেরকে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে কাজ শেষ করতে বলা হয়।
তবে শাজাহান খানের কমিটি কিছুটা খসড়া দাঁড় করিয়েছে। চালকের আট কর্মঘণ্টা নির্ধারণসহ প্রশিক্ষণ, চালকের জন্য মহাসড়কে বিশ্রামাগার তৈরির সুপারিশ তাদের।
বুয়েটের গবেষণা বলছে, দুর্ঘটনার ৮০ শতাংশই ঘটছে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও চালকদের বেপরোয়া গতির কারণে। ২০১৬ সালের মার্চ থেকে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬৬৬ দুর্ঘটনায় ৬৯৯ জন নিহত ও ১২২৭ জন আহত হয়েছেন।
এসব দুর্ঘটনার মধ্যে ৩৫৪টিই ঘটেছে বাসের কারণে। গবেষকরা বলছেন, সড়ক-দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে কমিটি বা তাদের সুপারিশ নয়, জরুরি সরকারের সদিচ্ছার।
সড়ক-মহাসড়ক ও গণপরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পথচারীর মাঝে সচেতনতা বাড়ানোর তাগিদও দেন গবেষকরা।
