সবচেয়ে বেশি যৌন হয়রানির শিকার যে পাঁচ দেশের শিশুরা

ফাতেহ ডেস্ক : বর্তমানে ভয়াবহ হারে বেড়ে চলেছে যৌন হয়রানির ঘটনা। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও কোনো না কোনো শিশুর জীবনে ঘটছে এ ঘটনা। এতে ব্যাহত হচ্ছে পৃথিবীর জন্য সমৃদ্ধ ও বলশালী হতে পারা অনেক মানবজীবন। মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সারা জীবনের জন্য।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংগঠিত শিশু যৌন হয়রানির পরিসংখ্যান ঘেঁটে একটি তালিকা তৈরি করেছে ব্রিটেনের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস। ব্রেকিংনিউজের পাঠকদের জন্য সেই দেশগুলোর নাম তুলে ধরা হলো—

দক্ষিণ আফ্রিকা 

প্রতি তিন মিনিটে একটি শিশুকে ধর্ষণ করা হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। ট্রেড ইউনিয়ন ‘সলিডারিটি হেল্পিং হ্যান্ড’-এর করা এক জরিপ থেকে জানা গেছে। দেশটির মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল-এর ২০০৯ সালে করা আরেক জরিপে প্রতি চারজন পুরুষের একজন জীবনের কোনো এক সময়ে কাউকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। ২০০০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় ৬৭ হাজার শিশু ধর্ষণ এবং নিগ্রহের মামলা নথিভুক্ত হয়েছিলো।

ভারত

২০১৩ সালে এক প্রতিবেদনে দ্য এশিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, ভারতে শিশুদের উপর যৌন নিপীড়ন মহামারী পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশটিতে ২০০১ সাল থেকে ২০১১ সালের মধ্যে শিশু ধর্ষণের মামলা হয়েছে অন্তত ৪৮ হাজার । ২০০১ সালের তুলনায় ২০১১ সালে ধর্ষণের হার বেড়েছিল ৩৩৬ শতাংশ।

জিম্বাবুয়ে

২০১২ সালে জিম্বাবুয়ের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দেশটির পুলিশের মুখপাত্র চ্যারিটি চারাম্বা’র বরাতে জানায়,  শিশু ধর্ষণের হার সেখানে ক্রমশ বাড়ছে। ২০১১ সালে দেশটিতে ৩ হাজার ১৭২টি শিশু যৌন নিপীড়নের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। এছাড়া ২০০৯ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের শুধুমাত্র একটি ক্লিনিকে চার বছরে ৩০ হাজার নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাজ্য

২০০০ সালে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, যুক্তরাজ্যে প্রতি ২০০ প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজনের বেশি পেডোফিল। ২০১২-১৩-তে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস-এ ষোল বছরের কম বয়সী ১৮ হাজার ৯১৫ শিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

২০১০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সে বছর ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১৬ শতাংশ শিশু যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। দেশটির প্রতি চার নারীর একজন এবং প্রতি ছয় পুরুষের একজন ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বলেও জানা গেছে চিলড্রেন এসিসমেন্ট সেন্টারের আরেক গবেষণায়।

আগের সংবাদখাশোগজি ও খাদিজার প্রণয়কাহিনি
পরবর্তি সংবাদপুরুষ মশারা মানুষকে দংশন করে না!