
ফাতেহ ডেস্ক
বিবাড়িয়ার মারকায মসজিদে তাবলীগের সাধারণ সাথীদের ওপর মাওলানা সা’দপন্থীদের হামলায় ৩০ জন আহত হয়েছে। তাদের মাঝে ৫-৭ জন গুরুতরভাবে আহত। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ঘটনাস্থল থেকে ফাতেহ২৪ কে টেলিফোনে এ খবর নিশ্চিত করেছেন বিবাড়িয়ার জামিয়া ইউনুছিয়ার প্রবীণ শিক্ষক মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমী।
আজ মাগরিবের সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় আলেম ওলামা ও সাধারণ সাথীরা বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
মাওলানা আব্দুর রহমান কাসেমী জানান, আগামী বিশ্ব ইজতেমাকে সামনে রেখে তাবলীগের মারকায মসজিদের ২৪ ঘণ্টার জোড় চলছিল। মাগরিব নামাজের সময় সাধারণ সাথীরা মসজিদে প্রবেশ করার সময় মাওলানা সা’দপন্থীদের ৯০-১০০ জনের একটি বাহিনী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সাথীদের ওপর হামলা চালায়। এসময় ২৫-৩০ জনের মতো আহত হয়। তাদের মাঝে ৫-৭ জন গুরুতর আহত হলেও একজনকে আশঙ্কজনক অবস্থায় ঢাকা নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এদিকে বিবাড়িয়া থেকে মাওলানা মুহসিনুল হাসান ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র মজলিসের সভাপতি হুসাইন নূরপুরীর বরাত দিয়ে জানান, সারাদেশে মাওলানা সা’দের বিভেদ ছড়িয়ে পড়ার পর বিবাড়িয়ার মারকায তিনভাগে পরিচালিত হতো। সপ্তাহে তিন দিন মারকাযে তাবলীগের সাধারণ সাথীরা অবস্থান করতেন, তিন দিন সা’দপন্থীরা আর তিন দিন আলেম ওলামাদের কার্যক্রম হতো।
গত ২৮ জুলাই ঢাকায় ওয়াজাহাতি জোড় হওয়ার পর বিবাড়িয়ার আলেমরা সিদ্ধান্ত নেন সা’দপন্থীরা মারকাযে প্রবেশ করতে পারবে না। এরই সূত্র ধরে আজ তারা জোড় করে মসজিদে দখল করতে যেয়ে হামলা চালায়। মাওলানা মুহসিনুল হাসান জানান, সা’দপন্থীদের হামলায় গুরুতর অহত বেলাল (২৮) জামিয়া ইউনুছিয়ার শিক্ষার্থী। সে বর্তমানে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করছে।
