
ওয়ালিউল্লাহ আরমান
জমিয়ত এবং কয়েক বছর পূর্বে ১৯৮৯ সালে গঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এর মধ্যে পুরোনো বিরোধ দৃশ্যমান না থাকলেও, ছাইচাপা পড়েছিলো। এই বিরোধের প্রেক্ষাপট হিসেবে খেলাফত আন্দোলন মাঠে নামার পূর্বের একটি প্রসঙ্গ সামনে এসে যায়। ১৯৭৮-৮১ সাল পর্যন্ত জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)।
অজ্ঞাত কারণে তিনি ১৯৮০/৮১ সালের দিকে প্রায়শ জমিয়তের বৈঠকে আসতেন না। পরবর্তীতে জমিয়ত নেতৃবৃন্দের কাছে আমরা অনেকভাবে এর কারণ জানতে চেয়েছি। কিন্তু ওই সময়ে যারা দায়িত্বশীল ছিলেন তারা বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। জানিনা সেটা ব্যক্তিত্বের নাকি মাসলাকগত দ্বন্দ্ব ছিল। ঠিক যেমন আরেকটি বিষয় সম্পর্কে আমি সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে পারিনি যে, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে যে জমিয়ত মাসলাকগত দিক দিয়ে ছিল মাদানী অনুসারী। কীভাবে সেই জমিয়তে থানবী মাসলাকের আল্লামা আজিজুল হক (রহ.) শীর্ষ নেতৃত্বে পৌঁছলেন? তবে এটি একটি অভিনব এবং চমৎকার সিদ্ধান্ত ছিল বলেই আমাদের মনে হয়।
ওই সময় জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি হওয়া সত্বেও শাইখুল হাদীস (রহ.) এর জমিয়তের মিটিংগুলোতে অনুপস্থিত কিংবা নিষ্ক্রিয় থাকার ব্যাপারে তাঁর সন্তান মাওলানা মামুনুল হকের সাথে আলোচনায় যা জানতে পেরেছি তা হলো, সরাসরি সাংগঠনিক কর্মতৎপরতার ব্যাপারে তৎকালীন ওলামায়ে কেরামের এখনকার মতো এতটা আগ্রহ ছিল না। তারা মূলত মাদ্রাসায় পড়ানো এবং ছাত্র তৈরি করার বিষয়টিকে বেশি প্রাধান্য দিতেন শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.) এর ভাবনাও অনেকটা এমনই ছিল। যে কারণে তিনি জমিয়তের বৈঠকে অনেক সময় অনুপস্থিত থাকতেন।
হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) খেলাফত আন্দোলনের ব্যানারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানালে মরহুম শাইখুল হাদীস সাহেব অনেকটা একাকীই খেলাফত আন্দোলনে যুক্ত হন। অথচ কাগজে-কলমে তখনো তিনি জমিয়তের সভাপতি। এরপর জমিয়তও নিজ সাংগঠনিক কাজ স্থগিত করে খেলাফত আন্দোলনে শামিল হয়। কিন্তু শাইখুল হাদীস (রহ.) এর সাথে জমিয়ত নেতৃবৃন্দের দূরত্ব আর কমেনি।
খেলাফত আন্দোলনে যাওয়ার পর হাফেজ্জী হুজুর (রহ.) এর সাথে শাইখুল হাদীস (রহ.)-ও ইরানে যান। দূরত্ব আরও প্রকট রূপ ধারণ করে। জমিয়ত খেলাফত আন্দোলন ছেড়ে নিজস্ব নামে পুনরায় সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করলেও সেখানে শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.) আর ফিরে যাননি। অবশ্য তার আর ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনাও ছিল না। জমিয়তের নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন খলিফায়ে মাদানী মাওলানা আব্দুল করিম শায়খে কৌড়িয়া (রহ.)। এভাবে ১৯৮০-তে তাঁর সাথে যে দূরত্বের সূচনা হয়, ২০০৫ সালে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের উপ-নির্বাচন পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে।
জমিয়তের দিক থেকে মজলিসের প্রতি আপত্তি ছিল তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের আশপাশে বিচরণকারী প্রভাবশালী কয়েকজনকে নিয়ে। তাদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিলেন অধ্যাপক আখতার ফারুক, অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের বাচ্চু এবং এআরএম আব্দুল মতিন প্রমূখ, যারা ইতোপূর্বে হযরত হাফেজ্জী (রহ.) এর আশেপাশে থেকে খেলাফত আন্দোলনকে ইরানমুখী করতে বিশেষ তৎপরতা চালিয়েছিলেন। এরাই আবার খেলাফত মজলিসে শাইখুল হাদীস (রহ.) এর দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিলেন। এর বিপরীতে খেলাফত মজলিসের ঐ সকল প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দেরও জমিয়তের উপর পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ছিল যে, জমিয়ত তাদেরকে গোটা ইসলামি অঙ্গনে ‘শিয়াবাদের দোসর’ হিসেবে অভিযুক্ত করে খেলাফত আন্দোলন ছেড়ে এসেছিলেন।
আমার স্পষ্ট মনে আছে, জমিয়তের গুরুত্বপূর্ণ অনেকেই তখনও আড়ালে আবডালে খেলাফত মজলিস নেতৃবৃন্দকে ‘শিয়াবাদের দোসর’ অভিহিত করতেন। সাংগঠনিক আলোচনা, তরবিয়ত কিংবা লেখনীর মাধ্যমে খেলাফত মজলিসকে শিয়া সংশ্লিষ্ট প্রমাণে কসুর করতেন না তারা। বলা হত, ইরান পার্লামেন্টের নাম ‘মজলিস’। তারা তাদের দলের নামটিও সেই ইরানি ‘মজলিস’ থেকে ধার করে এনেছেন! ঐ সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট আলী আকবর হাশেমি রাফসানজানি বাংলাদেশ সফরে এলে, খেলাফত মজলিস কর্মী-সমর্থকরা তাকে অভ্যর্থনা জানায় বলে খবর প্রচারিত হয়, যা জমিয়তের ‘শিয়া ইস্যু’ প্রচার-পালে হাওয়া যোগায়।
ওদিকে একইরকম আচরণ খেলাফত মজলিস সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকেও দেখেছি। তারাও বিভিন্ন লেখনী, কর্মশালা কিংবা আচার-আচরণে বলতেন জমিয়ত ‘আওয়ামী লীগ ও ইন্ডিয়ান কংগ্রেসের দালাল।’ এভাবে দুই পক্ষ থেকে ‘শিকওয়া ও জবাবে শিকওয়া’র কলম যুদ্ধও হয়েছে বহুবার। এই দুরত্ব ২০০৫ সালে মজলিস ভেঙে ‘বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস’ এবং ‘খেলাফত মজলিস’ নামে পৃথক দুটি সংগঠন হওয়ার আগ পর্যন্ত পূর্ণোদ্যমে বিদ্যমান ছিল।
যেহেতু মজলিসের সাথে কখনো আমার দূরতম সম্পৃক্ততাও ছিলো না, সে কারণে ২০০৫ সালে তাদের বিভক্তির কারণ সম্পর্কেও আমি বলতে পারব না। তবে এদেশে ইসলামি সংগঠনগুলো ভেঙে যাওয়ার সময় সাধারণত যে অভিযোগটি সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়, একজন রাজনীতি সচেতন মানুষ হিসেবে মজলিস ভাঙার সময়ও সেটা শুনতে পেয়েছিলাম যে—’মজলিসের সমাগত কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে তাদের দলীয় গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে দু-চারজন ব্যক্তিবিশেষের দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলে’, এবং এর ফলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সংগঠনটি বিভক্ত হয়ে পড়ে।
যদিও প্রসঙ্গটি এখন থেকে অনেকদিন আগে নব্বই দশকের, তবু কথা যখন এসেই গেছে এর সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয় না বললেই নয়।
প্রথমত, আশির দশকে খেলাফত আন্দোলনের যাদেরকে জমিয়ত ‘শিয়াঘনিষ্ঠ’ বলে অভিযুক্ত করেছিল, সেই তারাই যখন ২০০৫ সালে শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.) এর নেতৃত্ব থেকে বেরিয়ে ‘খেলাফত মজলিস’ নামে পৃথক সংগঠন করেন তখন ‘বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসে’র পক্ষ থেকে ঐ সকল ব্যক্তিবর্গের দিকে ইঙ্গিত করে সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি দেয়া হয়েছিল যে, ‘মজলিস এতোদিনে জামায়াত এবং শিয়াবাদের দোসরমুক্ত হল।’
দ্বিতীয়ত, মজলিসে বিভক্তির সময় শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.) এর আশেপাশে যারা অন্যতম কুশীলব ছিলেন, তাদের বেশিরভাগই এখন অন্য তরীর যাত্রী হয়ে গেছেন। তাদের মাঝে উল্লেখযোগ্য হলেন মুফতি শহিদুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী এবং মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজিজ।
তৃতীয়ত, জমিয়ত ও মজলিসের বিতর্ক এবং বিরোধের মূলে যে কয়েকটি নাম প্রধান ছিল তাদের মাঝে অধ্যাপক আখতার ফারুক দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন। এআরএম আব্দুল মতিন জামায়াতে ইসলামিতে ফিরে গেছেন। তারা দুজনসহ অধ্যক্ষ মাসউদ খান এবং ডক্টর আহমদ আবদুল কাদের বাচ্চুকে জড়িয়ে জমিয়তের অভিযোগ ছিল, তারা ‘জামায়াত এবং শিয়াবাদের দোসর।’ এবং বাংলাদেশের নির্দিষ্ট একটি অঞ্চল যেখানে জমিয়তসহ অপরাপর ইসলামি সংগঠনের কাজ অন্য যে কোন এলাকার চেয়ে ভালো, সেই অঞ্চলে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে নব্বই দশকে মজলিসের সাথে জমিয়তের নানা বহস-বিতর্ক ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো।
তিন বছর আগে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী জমিয়তের মহাসচিব হবার পর থেকে ড. আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন মজলিসের সাথে আল্লামা কাসেমী নেতৃত্বাধীন জমিয়তের দহরম-মহরম সবার মনোযোগ কেড়েছে। আল্লামা কাসেমীর যে কোন প্রোগ্রামে ড. আহমদ আবদুল কাদের কিংবা তার সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো না কোনো নেতাকে দেখা যায়। আবার খেলাফত মজলিসের প্রোগ্রামেও আল্লামা কাসেমী অংশের কোন না কোন নেতাকে দেখা যায়। এটাকে আমি দোষণীয় বলবো না। ভিন্ন মতাবলম্বী হলেও রাজনীতিতে এতোটুকু সৌহার্দ্য থাকা উচিত। তবে এটা কিন্তু এক অর্থে আহমদ আবদুল কাদের সাহেবদের নৈতিক বিজয়। অতীতে জমিয়ত বরাবরই যাকে ‘জামায়াত এবং শিয়াঘনিষ্ঠ’ বলে অভিযুক্ত করত, সেই জমিয়তই যখন তাকে গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানায়, তখন তো বলতেই হবে যে, তিনি নৈতিকভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
কিন্তু ‘হক্কানিয়াতের পতাকাবাহী’ দাবিদার জমিয়ত অতীতে কর্মী-সমর্থকদের বলে এসেছে যে, ‘তারা গোমরাহ আকীদা পোষণ করেন।’সেই তাদেরকেই দলীয় প্রোগ্রামে সবিশেষ গুরুত্বসহকারে স্থান দিলেও জমিয়তের ওইসব বহসকারী নেতারা এখনো স্পষ্ট করেননি যে, ডক্টর আহমদ আব্দুল কাদেররা তাদের ‘অতীত আকীদা’ পরিত্যাগ করেছেন কিনা?
যেহেতু আহমদ আবদুল কাদের কখনো কোথাও নিজেদের ‘অতীত আকীদা’র ভুল স্বীকার ও সেগুলো পরিত্যাগের মতো কিছু বলেননি, তার মানে তারা নিজেদের কর্মপন্থায় অটল আছেন। তাহলে সহজ ক্যালকুলেশনে কেউ যদি দাবী করে যে, ‘অতীতে তাদের আকীদা সম্পর্কে জমিয়ত যেসব অভিযোগ উত্থাপন করতো, তা প্রমাণিত ছিল না, ভুল ছিলো, সে কারণেই এখন জমিয়ত তাদেরকে নিজস্ব প্রোগামে সসম্মানে মূল্যায়ন করছে। আর ঐ সময় সেই বিশেষ অঞ্চলের যারা মজলিসের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, যারা এখনো জমিয়তের কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, তারাও কোন কথা বলছেন না। তাহলে অতীতে তারা যা বলেছিলেন সে সম্পর্কে তাদের দিক থেকে সুস্পষ্ট একটি ওয়াজাহাত সামনে আসা উচিত।’ এমন দাবি করাটা নিশ্চয়ই অযৌক্তিক, অন্যায্য এবং অত্যুক্তি হবে না।
জমিয়ত তাদের সংগঠনে সবচেয়ে বেশি আলেমের সম্পৃক্ততা নিয়ে অহমিকায় ভুগতো। এটা ঠিক যে, জমিয়তে সবসময় আলেমদের সম্পৃক্ততা ছিল, এখনো আছে। কিন্তু রাজনীতির মাঠে জনসম্পৃক্ততা ছিল, এটা বলা যাবে না। আবার মজলিস নেতৃবৃন্দের অহমিকা ছিল যে, তাদের সংগঠনে ইসলামি রাজনীতি এবং সংগঠন বোঝে এমন লোক অন্য সবার চেয়ে বেশি। কথাটি এক অর্থে ঠিক হলেও এই ‘বেশি বোঝা’ লোকজনের বড় একটি অংশ কিন্তু ২০০৫ সালে পৃথক মজলিস গঠন করেন। আরেকটি অংশ ২০১৪ সালে জমিয়তে যোগ দেন।
এখানে একটি সত্য আমাকে স্বীকার করতেই হবে যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির বাহিরে ইসলামি সংগঠন পরিচয় সবচেয়ে স্মার্ট এবং চৌকস কর্মীর দেখা মেলে ড. আহমদ আবদুল কাদের বাচ্চু নেতৃত্বাধীন খেলাফত মজলিসের মধ্যে। আমি যখনই খেলাফত মজলিসের কোনো দায়িত্বশীলের সাথে কথা বলি, আমার মনে হয় তারা ওয়েল ট্রেইনড, সুপ্রশিক্ষিত রাজনৈতিক কর্মী।
ছোট্ট একটি ওয়াজাহাত :
আশির দশকে ইরান এবং শিয়া ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের খেলাফত আন্দোলন থেকে বেরিয়ে যাওয়াকে আমি দূরদর্শী, বাস্তবমুখী এবং কল্যাণকর পদক্ষেপ হিসেবেই বিশ্বাস করি। কারণ ঐসময় মাত্রই ইসলামি বিপ্লবের নামে ইসনা আশারিয়া শিয়া গোষ্ঠী ইরানে ক্ষমতা দখল করেছে, পাশাপাশি সৌদি আরবের সাথে ইসলামি জাহানের নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতার জের ধরে অন্য অনেক মুসলিম দেশে তাদের মতাদর্শী এবং অনুগত লোক দিয়ে তাদের সেই ‘ইসলামি বিপ্লব’ রফতানির চেষ্টা করে।
বাংলাদেশের শীর্ষতম বুজুর্গদের সরলতার সুযোগে আশপাশ থেকে কিছু মানুষ সেই ইসনা আশারিয়া মতাদর্শ এদেশে আমদানি ও প্রতিষ্ঠার যে কৌশলী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন, জমিয়ত নেতৃবৃন্দ স্রোতের প্রতিকূলে দাঁড়িয়ে, হুমকি-ধামকি আর কটূক্তি উপেক্ষা করে তখন যদি প্রতিবাদ না করতেন এবং খেলাফত আন্দোলন থেকে বেরিয়ে না যেতেন, তাহলে আজ হয়তো শিয়া মতাদর্শ আমাদেরকে গ্রাস করে নিত। জমিয়তের সেই অনমনীয়, অবিচল ও আপোষহীন ভূমিকার কারণে এখন অব্দি বাংলাদেশে কেউ প্রকাশ্যে শিয়াবাদ কিংবা ইরানের সাথে ঘনিষ্ঠতা স্বীকার করে না।
চলবে….
লেখক: আলেম, রাজনীতিবিদ
আগের কিস্তিগুলো
প্রথম কিস্তি, ফিরে দেখা নব্বই দশক : উত্তাল সময়
দ্বিতীয় কিস্তি, ইসলামী ঐক্যজোট : ঐক্যের নতুন প্লাটফর্ম
তৃতীয় কিস্তি, সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদের তৎপরতা
