
ফাতেহ ডেস্ক
উত্তর মালির জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যে হামলা চালানো হয়েছে তার দায় স্বীকার করেছে আলকায়েদা সংশ্লিষ্ট আফ্রিকার গ্রুপ জামা’আ নুসরাত উল-ইসলাম ওয়া আল-মুসলিমিন। কয়েকটি ‘ইসলামপন্থী’ বিদ্রোহী গ্রুপের সমন্বয়ে গঠিত ওই সংগঠনটি বলছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর চাদ সফরের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ওই হামলা চালানো হয়েছে।
রোববার চাদ সফরে গিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস দেবির (বামে) দেখা করেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বিদ্রোহী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ হামলাকারীদের ওই দাবি সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে, আলজাজিরা বলছে, মৌরতানিয়াভিত্তিক আল-আখবার সংবাদ সংস্থা ইসলামিক মাগরেবের বরাত দিয়ে এমন দাবি করেছে। সংবাদ মাধ্যমটি প্রায়ই ওইসব গ্রুপের বার্তা প্রকাশ করে থাকে।
রোববার আলজেরিয়া সীমান্তের আগুয়েলহক গ্রামে চালানো ওই হামলায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ১০ সদস্য নিহত হয়। নিহতরা সবাই চাদের নাগরিক।
‘সন্ত্রাস’ দমনে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে একইদিন চাদ সফর করেন নেতানিয়াহু।
রয়টার্স বলছে, গত বছরের জুলাই মাসে মালির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ভণ্ডুল করতে হামলা চালায় জামা’আ নুসরাত উল-ইসলাম ওয়া আল-মুসলিমিন।
সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের খবরে বলা হয়েছে, চাদ ইসরায়েলের সঙ্গে যে কূটনীতিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করছে তার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ওই হামলা চালানো হয়েছে।
নেতানিয়াহুর এই সফরকে আফ্রিকার সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনেতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৯৬৭ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করলে আফ্রিকার সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক ভেঙ্গে পড়ে।
