বিশ্ব বিনোদনে শীর্ষ দশে থাকতে চায় সৌদি আরব

ফাতেহ ডেস্ক

বিশ্ব বিনোদনে শীর্ষ ১০টি দেশের তালিকায় এবং এশিয়ার মধ্যে চতুর্থ স্থান অর্জন করতে চায়  ইসলামী  দেশ সৌদি আরব। এ লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে বিনোদন সেক্টরে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে রিয়াদ।

গত বছরের ২৯ এপ্রিল রাজধানী রিয়াদের পাশের কিদ্দিয়াতে একটি বৃহৎ বিনোদন রিসোর্ট উদ্বোধন করেন সৌদি বাদশা সালমান (মাঝে) ও যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান (ডানে)। ছবি: রয়টার্স।

মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেনারেল এন্টারটেইনমেন্ট অথরিটির (জিইএ) চেয়ারম্যান তুর্কি আল-শেখ এ কথা জানিয়েছেন বলে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এক বিশেষ অনুষ্ঠানে ২০১৯ সাল জুড়ে দেশটির বিনোদন জগতে বড় ধরনের কী কী ইভেন্টের আয়োজন করা হবে তার তালিকা প্রকাশ করেন আল-শেখ। তালিকায় অটো-রেস, ম্যাজিক শো এবং থিয়েট্রিক্যাল পারফরমেন্সের কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে দর্শকদের পাশাপাশি, রাজপুত্র, মন্ত্রী, আরবের সেলিব্রেটি ও কয়েকজন ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দেশটির কর্মকর্তারা বলেন, প্রতিবছর সৌদি আরবের নাগরিকরা বিদেশি বিনোদনের জন্য যে দুই হাজার কোটি ডলার ব্যয় করে তার একটি বড় অংশ দেশে রাখার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আল-তুর্কি বলেন, ‘আমি আশা করি, জাতীয় কোম্পানি, ব্যাংক, ব্যবসায়ী, শিল্পী তথা সকল সেক্টরের লোক একসঙ্গে কাজ করবে। এক সুবর্ণ সুযোগ আছে।’

প্রসঙ্গত, সৌদি আরবের বর্তমান সমালোচিত যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান ২০৩০ সাল পর্যন্ত একটি সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে দেশটির অতি রক্ষণশীল রীতিনীতি থেকে বেরিয়ে তথাকথিত আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ একমাত্র তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অন্যান্য খাত থেকে আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য পর্যটক আনার ব্যবস্থা, যুবকদের কর্মস্থান সৃষ্টি, সিনেমা হল চালু, নারীদের গাড়ি চালানো ও স্টেডিয়ামে গিয়ে নারী-পুরুষের কনসার্ট ও খেলা দেখার পাশাপাশি বেশ কিছু নিয়ম চালু করা হয়েছে।

তবে যুবরাজ এসব ‘অনৈসলামিক উদ্যোগ’ বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিরোধিতাকারী ইসলামিক নেতা, মানবাধিকার কর্মী, ভিন্ন মতালম্বী ও বুদ্ধিজীবীদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছেন। অনেককে গ্রেফতার এবং কাউকে কাউকে হত্যাও করা হয়েছে।

আগের সংবাদএরশাদের জন্য দোয়া চাইলেন কাদের
পরবর্তি সংবাদ৫০ টাকার জন্য আত্মহত্যা