এসডিজি অর্জনে তথ্য ঘাটতি বড় বাধা : পরিকল্পনামন্ত্রী

ফাতেহ ডেস্ক

জিডিপিতে কমছে রেমিট্যান্স, সেবা, রাজস্বসহ অন্যান্য খাতের অবদান। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রোববার সকালে রাজধানীর এনইসি মিলনায়তনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এসময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বড় বাধা তথ্যের ঘাটতি।

স্বল্পোন্নত থেকে এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশ। এজন্য ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য-এসডিজি অর্জনে জোর দিচ্ছে সরকার।

এসডিজিতে দেশের অগ্রগতি নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিসহ কয়েকটি খাতের উন্নয়ন হলেও জিডিপিতে কমছে রেমিট্যান্স ও রাজস্ব খাতের অবদান। ২০১৬ সালে ১০ দশমিক দুই ছয় শতাংশ রাজস্ব আদায় হলেও, পরের বছর তা কমে হয়েছে ১০ দশমিক এক ছয় শতাংশ। এদিকে, ২০১৬ সালে রেমিট্যান্সের হার সাড়ে ৬ শতাংশের বেশি হলেও ২০১৭ সালে এই হার কমে হয় ৫ দশমিক এক শতাংশ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এসডিজি অর্জনে সবচেয়ে বড় বাধা, সঠিক তথ্য উপাত্তের ঘাটতি। এজন্য তথ্য উপাত্তের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন মন্ত্রী।
এদেশের অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে সুশাসন নিশ্চিতের পরামর্শ দেন জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে ব্যাপক সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ। তাই নির্দিষ্ট সময়ে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জন হবে বলে আশা করেন অর্থনীতিবিদরা।

আগের সংবাদযে কারণে আরব আমিরাত যাচ্ছেন পোপ ফ্রান্সিস
পরবর্তি সংবাদসরকারি মডেল মসজিদ, ইসলামের কতটা উপকারে আসবে?