
ফাতেহ ডেস্ক
রাজধানীর চকবাজারের চুড়িহাট্টা মোড় এখন ধ্বংসস্তুপ। সকাল থেকে ময়লা-আবর্জনা সরাতে কাজ করছে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয়রা। এছাড়া সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিটি করপোরেশনের তদন্ত কমিটি। জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে জমা দেয়া হবে তদন্ত প্রতিবেদন। আবাসিক এলাকা থেকে কেমিক্যাল কারখানা ও মজুদ সরানোর বিষয়েও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হবে বলেও জানান তারা।
পুড়ে যাওয়া ভবনগুলোতে আগুন নেভানোর জন্য কোনো ব্যবস্থাই ছিল না। প্রচুর রাসায়নিক দ্রব্য থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার সকালে চকবাজারের চুড়িহাট্টায় হাজী ওয়াহেদ ম্যানসনসহ আশপাশের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো পরিদর্শন করে এমনটাই জানায় সিটি করপোরেশনের তদন্ত কমিটি। স্থানীয়দের সাথেও কথা বলে ১১ সদস্যের এই তদন্ত দল।
ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলো ভেঙ্গে ফেলতে হবে কি না, এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে বলে জানায় তারা।
প্রায় ৯ বছর আগে নিমতলী দুর্ঘটনার পর বিশেষজ্ঞ দল যে সব সুপারিশ করেছিল তার কিছুই বাস্তবায়ন হয়নি বলে জানায় দলটি। বাড়ি তৈরির সময় নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখার কথাও বলছেন বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা।
বুধবার রাতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে মারা যান ৬৭ জন। চকবাজার এলাকায় চুড়িহাট্টা শাহী মসজিদের পেছনের আবাসিক ভবনের সামনে থাকা একটি গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত। অবিলম্বে রাসায়নিক কারখানা সরানো না হলে, এ ধরণের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে তদন্ত দল।
