
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামিকে। দেশটির দখলকৃত কাশ্মির অঞ্চলে রাজনৈতিক-ধর্মীয় সংগঠন হিসেবে সক্রিয় ছিল জামায়াত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা কাশ্মিরের সশস্ত্র বিদ্রোহকে সমর্থন দিচ্ছে। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
১৪ ফেব্রুয়ারি জইশ ই মোহাম্মদের হামলায় ৪২ জন ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার পর কাশ্মিরে জামায়াতের নেতা আব্দুল হামিদ ফায়াজসহ তিনশতাধিক নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জনপরিবেশ বিঘ্ন ও অবৈধ সংশ্লিষ্টতার কারণে জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাদের দাবি, জম্মু কাশ্মিরে ‘সন্ত্রাসী’ কর্মকাণ্ড চালানো ‘জঙ্গি’দের সঙ্গে যোগসাজস রয়েছে দলটির।
১৯৪২ সালে গঠিত এই দলটির ওপর এই নিয়ে তৃতীয় নিষেধাজ্ঞার জারি হলো। দলটির সিনিয়র নেতা বলেন, ভারতের এই ‘আয়রন ফিস্ট পলিসি’ কাজ করবে না। তিনি বলেন, এর আগেও তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। সরকার সেনাশক্তি ব্যবহার করেছে কিন্তু লাভ হয়নি। এবারও হবে না।
এক বিবৃতিতে দলটি জানায়, তাদের নেতাকর্মীদের কেন গ্রেফতার করা হয়েছে তা তাদের কাছে স্পষ্ট নয়।
উল্লেখ্য, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মিরের পুলওয়ামায় ভারতের ‘সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের’ গাড়িবহরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় বাহিনীটির অন্তত ৪০ জন সদস্য প্রাণ হারান। কাশ্মীরের স্বাধীনতাকামী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ হামলার দায় স্বীকার করে।
মঙ্গলবার সেই জইশ-ই মোহাম্মদের ঘাঁটি ধ্বংসের কথা বলেই ৭১-পরবর্তী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের আকাশসীমায় ঢুকে বিমান হামলা চালায় ভারত। কিন্তু পরে পাকিস্তানি সৈন্যের তাড়া খেয়ে দ্রুত ফিরে আসে।
এইচআর/
