
ফাতেহ ডেস্ক
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মার্কিন গণমাধ্যম ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য প্রাথমিকভাবে চারজনের নাম প্রস্তাব করেছে, যার মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন পাক-প্রধানমন্ত্রী।
বাকি তিনজন হলেন–ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা জুয়ান গুইদো, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন এবং ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় আত্মঘাতী হামলায় দেশটির ৪৪ সেনা নিহতের পর পাকিস্তানকে দায়ী করে নয়াদিল্লি। ইসলামাবাদ সে অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দেয়। ভারতের অভিযোগের পক্ষে যথাযথ প্রমাণ দাবি করে পাকিস্তান। সেইসঙ্গে প্রমাণ দিলে তদন্তে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন ইমরান খান।
কিন্তু ভারত সেদিকে না গিয়ে পাকিস্তানে হামলার তোড়জোড় করতে থাকে এবং গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বালাকোট সীমান্তে বিমান হামলা চালায়। এর জবাবে পরদিন পাকিস্তান ভারতের দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে এবং এক পাইলটকে আটক করে।
পাক-প্রধানমন্ত্রী দুই দিনের মাথায় শান্তির নিদর্শন হিসেবে অভিনন্দন নামের ওই পাইলটকে ভারতের কাছে হস্তান্তর করেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইমরান খানের ওই সিদ্ধান্তের কারণে পরমাণু অস্ত্রসমৃদ্ধ দুটি প্রতিবেশী দেশ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত থেকে ফিরে এসেছে। কারণ পাইলটকে হস্তান্তরের পর থেকেই দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধাবস্থা প্রশমিত হতে থাকে।
ইরানি গণমাধ্যম পার্সটুডে এক প্রতিবেদনে বলেছে, ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর পত্রিকার সম্পাদকীয় বোর্ড নোবেল পুরস্কারের জন্য চারজনের একটি তালিকা করেছে; ইমরান খানকে তাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।
