
ফাতেহ ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডের মসজিদে ইতিহাসের সব থেকে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পরের দিন অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালতকক্ষে দাঁড়িয়ে ব্রেন্টন হ্যারিসন টারান্টকে হাসতে দেখা গেছে।
নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের বরাতে জানা যায়, ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলায় আসামি করা হয়েছে ব্রেন্টনকে। সে নিউজিল্যান্ডের ডুনেডিনের অ্যান্ডারসনস বে এলাকার বাসিন্দা। আদালতে যখন ব্রেন্টনকে হাজির করা হয়, তখন তার পরনে ছিল বন্দীদের সাদা পোশাক, হাতে হাতকড়া এবং খালি পা।
ছবি তোলার সময় সে আলোকচিত্রীদের দিকে তাকিয়ে হাসছিল। তার পাশেই ছিলেন দুই পুলিশ অফিসার। আপাতত ৫ এপ্রিল পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে নিউজিল্যান্ড আদালত।
গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় বেলা দেড়টা নাগাদ ক্রাইস্টচার্চে পর পর দুই মসজিদে হামলা চালায় ব্রেন্টন। এ ঘটনায় নিহত হন ৪৯ জন নামাজরত মুসল্লি।
ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্নতাবাদী লোকের সন্ত্রাসী হামলা বলে দায় সেরেছেন নিউজিল্যান্ড অস্ট্রেলিয়াসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সরকারপ্রধানেরা। আর এদিকে মুসলিম বিশ্বের সাধারণ জনগণ, এমনকি মানবতাবাদী প্রতিটি মানুষই স্তম্ভিত এবং ক্ষুব্ধ এই নৃশংস ন্যাক্কারজনক ঘটনায়।
হামলার পুরো দৃশ্য হামলাকারী লাইভ সম্প্রচার করেছে, অথচ হামলার ২০ মিনিট পর পর্যন্ত এ ব্যাপারে নীরব ছিল নিউজিল্যান্ড প্রশাসন। নিউজিল্যান্ডের মতো একটা উন্নত রাষ্ট্রে হামলাকারী লাইভ সম্প্রচার করে হামলা পরিচালনা এবং হামলার পর ২০ মিনিট পর্যন্ত প্রশাসনের নীরবতা জনমনে সন্দেহের উদ্রেক করেছে। তবে কি ইসলামোফোবিয়ায় আক্রান্ত এই লোকগুলোর বীভৎস এ হামলায় নিউজিল্যান্ড প্রশাসনের নীরব সমর্থন ছিল? সবার যৌথ পরিকল্পনায়ই কি সংগঠিত হলো এ গণহত্যা?
