
ফাতেহ ডেস্ক
নেপালে ঝড় ও বজ্রপাতে ২৫ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অন্তত চার শতাধিক। রবিবার সন্ধ্যায়, দেশটির বারা ও পারসা জেলার ওপর দিয়ে তীব্র ঝড়বৃষ্টি বয়ে যায় বলে দ্য হিমালয়ান টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা টাইমস অব ইন্ডিয়া (পিটিআই)।
এতে টুইট বার্তায় নিহতের পরিবারের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি। দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। পাঠানো হয়েছে ত্রাণ-সহায়তা। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী টুইটে বলেন, ‘তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও ত্রাণ সরবরাহের জন্য হেলিকপ্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’
পুলিশ জানিয়েছে, বজ্রপাতের পাশাপাশি গাছ ভেঙে ও দেয়াল চাপায় মারা গেছেন তাঁরা। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। সোমবারও নেপালে বেশ কয়েকটি জায়গায় ঝড় হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির আবাহাওয়া অফিস।
বারা জেলার শীর্ষ কর্মকর্তা রাজেশ পাউদেল জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত অনেক এলাকায় উদ্ধারকারীরা এখনও পৌঁছতে পারেননি, তাই মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে।
রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ৬২ কিলোমিটার দক্ষিণে বারার অবস্থান। সীমান্তবর্তী জেলাটির অপরপাশে ভারতের বিহার রাজ্য। জেলাটির অনেকগুলো গ্রাম ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিবরণ পাওয়ার পর মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ভাষ্য পার্শ্ববর্তী পার্সা জেলা পুলিশ দপ্তরের।
পুলিশ কর্মকর্তা সানু রাম ভট্টরাই বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলোর উদ্দেশ্যে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে, কিন্তু রাতে ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে পৌঁছানো কঠিন ছিল।
টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর খবরে বলা হয়, তীব্র ঝড়ের সঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাতে গাছ, বৈদ্যুতিক ও টেলিফোনের খুঁটি উপড়ে পড়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। নেপালে বসন্তকালে বজ্রঝড় নিয়মিত বিষয় হলেও এ রকম প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টি ও তাতে এত লোকের মৃত্যু সাধারণত হয় না।
