
ফাতেহ ডেস্ক
নার্গিস বেগম (২৩) নামে এক গৃহবধূকে তার স্বামী শামিম হোসেন অ্যানার্জি ড্রিংকসের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে পান করিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের বড়াইগ্রামে। শুক্রবার সকালে ওই গৃহবধূর বাবার বাড়ি কুজাইল গ্রামে তার মৃত্যু হয়। নার্গিস ওই গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে।
ঘটনার পর থেকে গৃহবধূর স্বামী শামিম হোসেন পলাতক রয়েছেন। পরিবারের বরাত দিয়ে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলীপ কুমার দাস জানান, বৃহস্পতিবার রাতে স্বামী শামিম হোসেন স্ত্রী নার্গিসকে এনার্জি ড্রিংকস (টাইগার) খাইয়ে দিয়ে নিজ বাড়িতে চলে যায়। এরপর থেকে নার্গিসের বুকে জ্বালাপোড়া শুরু হয়।
এ অবস্থায় রাতেই স্থানীয় চিকিৎসক দিয়ে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। সকালের দিকে তার মৃত্যু হয়। নার্গিসের বাবা-মায়ের অভিযোগ, তিন দিন আগে শ্বশুরবাড়িতে থাকা অবস্থায় তার মেয়েকে মারধরসহ শারীরিক নির্যাতন করে জামাই। সেখান থেকে মেয়ে তাদের বাড়িতে চলে আসে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামাই শামিম তাদের বাড়িতে আসে।
রাতে টাইগারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে মেয়েকে খাইয়ে দিয়ে তার বাড়িতে চলে যায়। বিষক্রিয়ায় সকালে মেয়ে নার্গিসের মৃত্যু হয়। তাদের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে বিষ খাইয়ে তাদের মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। ওসি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
তাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের পর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। নার্গিসের মৃত্যু রহস্যজনক বলে মনে হচ্ছে। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
