
ফাতেহ ডেস্ক
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলায় তিন জনের মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় খালাশ পেয়েছেন আট জন। আজ সোমবার রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় দেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামি যুবদল নেতা আবদুস সামাদ পিন্টু ও আরিফুল ইসলাম মানিক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। মামলায় মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অপর আসামি সবুজ বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
৪ঠা এপ্রিল রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার যুক্তিতর্ক শেষে বিচারক অনুপ কুমার রায় এ দিন ধার্য করেন। ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, লিলনের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখায় কর্মরত নাসরিন আখতার রেশমার স্বামী যুবদল নেতা পিন্টু ও আনোয়ার হোসেন উজ্জল এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
এদিকে, রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে অধ্যাপক লিলনের ছেলে সৌমিন শাহরিদ জানান, মামলার বাদী পুলিশ হওয়ায় হত্যার তদন্ত ঠিকমতো হয়নি।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ১৫ই নভেম্বর নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় অধ্যাপক শফিউল ইসলাম লিলনকে। ২০১৫ সালে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বলসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
