
ফাতেহ ডেস্ক
মাদারীপুরের শিবচরে এক স্কুল ছাত্রীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করায় বিপাকে পড়েছে ধর্ষিতার পরিবার। এদিকে মামলা হওয়ার পরে ধর্ষকদের হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে নির্যাতিত ওই স্কুলছাত্রীর।
মামলা বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ১ এপ্রিল বাড়ি যাওয়ার পথে তিন বন্ধু জোর পূর্বক ইজিবাইকে তুলে নিয়ে দত্তপাড়া ইউনিয়নের মগড়া পুকুর পাড় এলাকার রতন বিশ্বাসের বাড়িতে আটকে রেখে এক স্কুলছাত্রীকে পারভেজ ও তার দুই সহযোগী দলবেঁধে ধর্ষণ করে।
পরে ধর্ষণের চিত্র ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে শারিরীক সম্পর্কের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। ওই স্কুলছাত্রী এতে সারা না দেয়ায় সেই ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয় ধর্ষকরা। এরপর ধর্ষিতার পরিবার থানায় মামলা করে। এদিকে মামলা করে বিপাকে পড়েছে ধর্ষিতার পরিবার।
একদিকে মামলা তুলে নেয়ার হুমিকে দিচ্ছে। অপর দিকে ধর্ষিতাকে খুন ও এসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার হুমকিতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে ওই ছাত্রীর।
ধর্ষিতার মা বলেন, মামলা তুলে না নিলে হত্যা করে ফেলবে মেয়েকে এমন হুমকি দিচ্ছে। এতে স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে মেয়েটির বাবা মাদারীপুর আদালতে মামলা দায়ের করলে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে তার সহযোগিরা পলাতক রয়েছে।
আটককৃত পারভেজের দুই সহযোগী ভাঙ্গা উপজেলার ব্রাহ্মনপাড়া গ্রামের নিকা মুন্সীর ছেলে সজিব মুন্সী এবং শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া মগড়া গ্রামের দাদন শেখের ছেলে সাকিব শেখ।
শিবচর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা জানান, ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার মামলা দায়ের করলে ধর্ষক পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হুমকির বিষয়টিও আমাদের নলেজে রয়েছে। পুলিশ দ্রুত সময়ের মধ্যেই অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার করবে।
