সেরা চট্রগ্রামের ঐতিহ্যবাহী দুই মাদরাসা, পিছিয়ে নেই ঢাকার বড় মাদরাসাগুলোও

রাকিবুল হাসান

আজ (বুধবার) সকাল ১১ টায় দাওরায়ে হাদীস (তাকমিল) পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। মতিঝিলে সংস্থাটির কেন্দ্রীয় দফতরে (কাবিল টাওয়ার) আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশ’র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা ইসমাইল বরিশালী সংস্থাটির কো-চেয়ারম্যান আল্লামা আশরাফ আলীর কাছে ফলাফল হস্তান্তর করেন।

প্রতিযোগিতার দৌড়ে এবছর মেধা তালিকার শীর্ষ রয়েছেন আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম (হাটহাজারী মাদরাসা)-এর আহমদ সালেম নকি। পটিয়া মাদরাসা আসতে পেরেছে দ্বিতীয় নাম্বারে। দ্বিতীয় নাম্বারে রয়েছে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম (হাটহাজারী মাদরাসা)-এর মাহমুদ সালমান জকিও।

আনন্দের শুরু হয়েছে মাদরাসাগুলোয়। বিষয়টা শুধু আনন্দের নয় বরং গর্বেরও। প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে চট্রগ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই দুই মাদরাসা।

তবে পিছিয়ে নেই ঢাকার বড় মাদরাসাগুলোও। জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া আছে তিন নম্বরে। জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলুম ফরিদাবাদ চার নম্বরে। আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানীনগর মাদরাসা আছে ছয় নম্বরে। মারকাযুল ফিকরিল ইসলামী বাংলাদেশ বসুন্ধরা মাদরাসা আছে নয় নম্বরে।

উল্লেখ্য, এবছর ২৬,৭৮৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে। তার মধ্যে ছাত্র ১৮,৫৬৬ জন; ছাত্রী ৮,২২২ জন। বিভিন্ন বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৯,০৭৯ জন, অনুত্তীর্ণ ৪,৮৮২ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ২,৬২৫ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ১৩,৮৬৯ জন এবং ছাত্রী ৫,২১০ জন। পাসের হার ছাত্র ৭৭.১৮%, ছাত্রী ৬৫.২৬%। গড় পাসের হার ৭৩.৫১%। মুমতায (স্টার) বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে, ছাত্র ৯৫৯ জন এবং ছাত্রী ৯২ জন।

জায়্যিদ জিদ্দান (১ম) বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে ছাত্র ৪,১২৪ জন, ছাত্রী ১,০৭৬ জন। জায়্যিদ (২য়) বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে ছাত্র ৫,৬৩৪ জন, ছাত্রী ২,৩৫১ জন এবং মাকবূল (৩য়) বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে ছাত্র ৩,১৫২ জন, ছাত্রী ১,৬৯১ জন। এছাড়া মোট ১৪ জনের পরীক্ষা বাতিল করা হয়।

আগের সংবাদরাস্তায় জুমার নামাজ পড়ার প্রতিবাদ জানালো বিজেপি নেতাকর্মীরা
পরবর্তি সংবাদদাওরায়ে হাদীসে মেধা তালিকার শীর্ষ ১০ (ছাত্রী)