
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
উইঘুর মুসলিম নিপীড়ন সম্পর্কে খুব বেশী জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমরান খান। উইঘুর মুসলিমদের নিপীড়ন প্রশ্নের এক জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি সর্বপ্রথম ২২০ মিলিয়ন পাকিস্তানি নাগরিকের নিরাপত্তার জন্য দায়বদ্ধ।’ চীন পাকিস্তানের সেরা বন্ধু বলেও দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য, এর আগে চীনে উইঘুরে মুসলমানদের বন্দিশিবিরে আটকে রেখে নির্যাতনের নীতিকে সমর্থন জানিয়ে জাতিসংঘে চিঠি পাঠিয়েছে সৌদি আরবসহ ৩৭টি দেশ। জাতিসংঘে পাঠানো ওই চিঠিতে জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন সরকারের আচরণের প্রশংসা করেছেন তারা। সৌদি,রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার পাশাপাশি ইমরান খানের পাকিস্তান সরকারও জাতিসংঘে পাঠানো ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে।
উইঘুর বন্দিশিবিরে ১০ লাখেরও বেশি মুসলিমকে আটকে রাখা এবং মুসলিম শিশুদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছিল ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও জাপানসহ ২২টি দেশ। কিন্তু সে সময়েই সৌদিসহ মুসলিম প্রধান কয়েকটি দেশ চীনের প্রতি এ সমর্থন জানিয়েছিলো।
উইঘুর বন্দিশিবির বিষয়ে চীনকে সমর্থন জানানো চিঠিতে সৌদি আরবসহ অন্য স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হলো- রাশিয়া, ভেনিজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া, সিরিয়া, পাকিস্তান, ওমান, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, বার্মা, ফিলিপাইন, কিউবা এবং বেলারুশ। তাছাড়া আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও চিঠিটিতে স্বাক্ষর করেছেন।
জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো যেটিকে বন্দিশিবির বলছে ওই চিঠিতে এসব বন্দিশিবিরকে ‘বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ বলে অবহিত করা হয়েছে।
