ইমরান আব্দুল্লাহ:
হেমন্তে গাছের হলুদ পাতা যেমন ঝরে যায়, তেমনি আমাদের দেয়াল থেকে ঝরে গেল আরেকটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। টুপ করে খসে পড়ল জীবন থেকে আরও একটি বছর। ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টাই। লালকালি দিয়ে দাগানো তারিখগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকি। তখন আমার পুরো দেয়ালটাই হয়ে যায় একটি ভিডিও প্রজেক্টর। সেখানে ভেসে উঠতে থাকে বহুল আলোচিত, আলোড়িত, আন্দোলিত দুই হাজার ঊনিশের তথ্যচিত্র। কখনও মুগ্ধতা, কখনও কাতরতা, কখনও উত্তেজনা স্পর্শ করে যায়।
২০১৯ সালে আমরা অনেক আলেমকে হারিয়েছি। মাউতুল আলিম মউতুল আলম–একজন আলেমের মৃত্যু মানে একটি পৃথিবীর মৃত্যু। ক্যালেন্ডারের লাল দাগ দেয়া তারিখগুলো আমাদেরকে আরবি বহুল শ্রুত এই প্রবাদকথাটি মনে করিয়ে দেয়। এই ফিচারে তুলে ধরা হলো এই বছরে গত হওয়া মনীষী আলেমদের কিছু স্মরণ, কিছু স্মৃতিচারণ।
জামেয়া রেঙ্গার শায়খুল হাদিস আল্লামা শিহাব উদ্দীন (মৃত্যু : ১ জুন, ২০১৯)
পয়লা জুন ইন্তেকাল করেন সিলেটের প্রাচীনতম দীনি বিদ্যাপীঠ জামিয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার শায়খুল হাদিস মাওলানা শিহাবুদ্দীন।
শায়খুল হাদিস আল্লামা শিহাবউদ্দীন সিলেটের শীর্ষস্থানীয় অন্যতম হাদিস বিশারদ ছিলেন। জামেয়া রেঙ্গায় একাধারে দীর্ঘ ৫০ বছরেরও অধিক কাল তিনি শায়খুল হাদিস হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। এ ছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের আঞ্চলিক শিক্ষাবোর্ড আযাদ দ্বীনী এদারার নাজিমে ইমতেহান হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। তাসাউফের লাইনে ছিলেন খলিফায়ে মাদানি হজরত শায়খে কৌড়িয়া রহ.-এর উচ্চ পর্যায়ের খলিফা। হজরত শায়খে রেঙ্গা ও কৌড়িয়ার স্নেহধন্য ও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজনও ছিলেন তিনি।
মুফতি আবুল কালাম যাকারিয়া (মৃত্যু : ১১ মার্চ, ২০১৯)
চলতি বছরের ১১ মার্চ সোমবার হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন দেশের অন্যতম ফিকহ বিশারদ আলেম ও সিলেটের জামিয়া দরগাহে হজরত শাহজালালের মুহতামিম মুফতি আবুল কালাম যাকারিয়া।
মুফতি যাকারিয়া ছিলেন ইসলামি আইন শাস্ত্রে সমকালীন সিলেটের তুলনাহীন ব্যক্তিত্ব। কোনো ধরনের শান-শওকতের বালাই ছিল না তাঁর। যে-কেউ যেকোনো সময় তাঁর কাছ থেকে যেকোনো ধরনের মাসআলা, সরাসরি হোক কিংবা মোবাইল ফোন, জেনে নিতে পারত।
দরগাহ মাদরাসার মুহতামিমের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বেশ কিছু বছর ধরে দরগাহ মসজিদের ইমাম ও খতিবও ছিলেন তিনি। ছিলেন দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের সিলেট জেলার আমীর।
অধ্যাপক হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীন (মৃত্যু : ১১ অক্টোবর ২০১৯)
বাগেরহাটের মফস্বল এলাকা মোড়েলগঞ্জে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এক আলেম পরিবারে জন্ম মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীনের। বাবা মাওলানা আবদুল আলি ছিলেন ব্রিটিশ আমলের আলেম। পড়াশোনা শেষ করে নিজের এলাকায় একটি মাদরসা প্রতিষ্ঠা করেন মাওলানা আবদুল আলি। এটিএম হেমায়েত উদ্দীনের প্রাথমিক পড়াশোনার হাতেখড়ি বাবার প্রতিষ্ঠিত সেই মাদরাসাতেই। তারপর খুলনা শিরোমনি মাদরাসায় হিফজুল কুরআন সমাপ্ত করে ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে কিশোর হেমায়েত প্রথমবারের মতো ঢাকা আসেন। তারপর পড়াশোনা, ক্যারিয়ার এবং কর্মজীবনের ব্যস্ততা তাঁকে আর ঢাকা ছাড়তে দেয়নি।
ঢাকা আলিয়ায় কিছুদিন অধ্যয়ন করেছেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজের ওপর পড়াশোনা কমপ্লিট করেন। কর্মজীবনে ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে পশ্চিম রাজাবাজার হেফজখানা প্রতিষ্ঠা করেন। মালিবাগের আবুজর গিফারি কলেজ এবং রামপুরা একরামুন্নেছা ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপনাও করেছেন পর্যায়ক্রমে।
ঢাকা আলিয়ার ছাত্র থাকাকালেই আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। আশির দশকের শুরুতেই জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া নামক মাদরাসাছাত্রদের ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠনের টানা তিন সেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রদের ১৭ দফা দাবি আদায়ে নানা কর্মসূচি ও আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন এ সময়। তাঁর ঐকান্তিক সংগ্রামের ফলে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।
তারপর হজরত হাফেজ্জী হুজুর যখন তওবার রাজনীতির ডাক দেন, তিনি তখন ইসলামানুরাগী যুবসমাজকে নিয়ে হাফেজ্জী হুজুরের তওবার রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। হাফেজ্জী হুজুরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারে যুবনেতা হিসেবে রাখেন অনন্য ভূমিকা। তারপর এ দেশের ইসলামি আন্দোলন-সংগ্রামের প্রতিটা অধ্যায়েই কেন্দ্রীয়ভাবে ভূমিকা রাখতে থাকেন এটিএম হেমায়েত উদ্দীন।
হাফেজ্জী হুজুরের খেলাফত আন্দোলনে ভাঙনের পর ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের (বর্তমান ইসলামী আন্দোলন) সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। তারপর থেকে এই দলেই নিজের ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ও সংগ্রামের সমস্তটুকু ঢেলে দিয়েছিলেন তিনি। ইসলাম ও জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল আন্দোলন-সংগ্রামে জড়িয়ে ছিলেন ওতপ্রোতভাবে। বাবরি মসজিদ ভাঙার প্রতিবাদে বাংলাদেশে গর্জে ওঠা আন্দোলনের সময় তৎকালীন সরকার কর্তৃক নিপীড়িত হয়ে কারাভোগও করেছেন বেশ কিছু দিন। ২০০২ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন সবাইকে।
ক্যান্সার জনিত সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন, দেশবিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন। সর্বশেষ কদিন মোটামুটি সুস্থই ছিলেন। কিন্তু গত ১১ অক্টোবর, ২০১৯ সকালের দিকে ঢাকাস্থ নিজ বাসায় দলের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে একান্ত আলাপকালে হঠাৎই অসুস্থতা বোধ করেন। এবং কিছুক্ষণের ভেতর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে চির বিদায় জানান পৃথিবীর সব স্বপ্ন সংগ্রাম এবং ব্যস্ততাকে।
মাওলানা খলীলুর রহমান হাজি সাহেব হুজুর (মৃত্যু: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯)
২৪ ফেব্রুয়ারি বুধবার ইন্তেকাল করেন সিলেটের জামিয়া দরগাহে হজরত শাহজালাল-এর প্রবীণ মুহাদ্দিস মাওলানা খলীলুর রহমান (হাজি সাহেব হুজুর)। দরগাহ মাদরাসায় হাদিসের খেদমতের পাশাপাশি হজরত শাহ পরান রহমাতুল্লাহি আলাইহি মাজার মসজিদের খতিবও ছিলেন তিনি।
সিলেটের ইসলামিক ফিকহ ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ও মরহুমের অন্যতম ছাত্র মুফতি জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমাদের হাজী সাহেব হুজুর মাওলানা শায়খ খলিলুর রহমান এই যুগের একজন মিসালি উস্তায ও দরদি অভিভাবক ছিলেন। তালিবুল ইলমদের নিজের ছেলের মতো করে দেখা তাঁর উস্তায-জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য৷
একজন সহজ-সরল, আবিদ-যাহিদ, খোশ মেযাজ, অতুলনীয় আদর্শ ও চারিত্রিক মাধুর্যের অধিকারী ব্যক্তিত্ব তিনি৷ জামেয়া দরগাহ’র সাবেক-বর্তমান এমন একজন তালিবুল ইলম পাওয়া যাবে না, যিনি হুজুরের চারিত্রিক মাধুর্য ও আচরণে মুগ্ধ নয়৷’
ড. জসীম নদভী (মৃত্যু : ৮ এপ্রিল, ২০১৯)
৮ এপ্রিল, ২০১৯ পবিত্র ওমরা পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবের মক্কাতুল মুকাররমায় ইন্তেকাল করেন চট্টগ্রামের বিখ্যাত দীনি শিক্ষাগার জামিআ দারুল মাআরিফের সহকারী পরিচালক ড. জসীম উদ্দীন নদভী। দারুল মাআরিফের সহকারী পরিচালকের পাশাপাশি তিনি ছিলেন দারুল মাআরিফের প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক আল্লামা সুলতান যওক নদভীর জামাতা ও স্নেহের পাত্র।
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতী ফয়জুল্লাহ বলেন, ‘ তিনি ছিলেন সামাজিক, সদালাপী, অমায়িক, উদার ও স্বাপ্নিক।’ হেফাজতে ইসলাম মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ‘জসীম উদ্দীন নদভী ছিলেন আল্লামা সুলতান যওক নদভীর আশার আলো।’
মাওলানা নুরুল ইসলাম বিশ্বনাথী (মৃত্যু : ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯)
১৫ ডিসেম্বর, রোববার ইন্তেকাল করেছেন বৃহত্তর সিলেটের বিশিষ্ট আলেম এবং গহরপুরী র.-এর খলিফা মাওলানা নুরুল ইসলাম বিশ্বনাথী। সকাল ৮টায় সিলেট মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।
তিনি ১৯৩৯ সনে জন্মগ্রহণ করেন। ইন্তেকালের সময় তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
মাওলানা নুরুল ইসলাম বিশ্বনাথী আতাপুর মাদরাসা, কালিগঞ্জ মহিলা মাদরাসা, বাগিচা বাজার মাদরাসা বিশ্বনাথ এর মোহতামিম ছিলেন। এছাড়াও তিনি খেলাফত মজলিস বিশ্বনাথ উপজেলার সাবেক সভাপতি ছিলেন।
মাওলানা সালাহউদ্দিন লাহোরি (মৃত্যু : ১৭ অক্টোবর, ২০১৯)
১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটার দিকে ইন্তেকাল করেন আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ-এর প্রবীণ মুহাদ্দিস, দেশের হাজারো আলেমের উসতাদ মাওলানা সালাহউদ্দিন লাহোরি।
কর্মজীবনে তিনি সুদীর্ঘ পঞ্চাশ বছরেরও অধিক সময় আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার শিক্ষক ও মুহাদ্দিস হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। ঢাকা হাসপাতালেও ভর্তি হয়েছিলেন। জীবনের শেষদিনগুলো নিজ বাসভবনে চিকিৎসাধিন কাটিয়েছেন।
আল্লামা শাহ আবদুল গনী (মৃত্যু : ২৩ আগস্ট, ২০১৯)
২৩ আগস্ট, শুক্রবার চট্টগ্রাম সিএসসিআর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বাংলাদেশের ‘বড় ক্বারী সাহেব হুজুর’ নামে খ্যাত, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট আলেম আল্লামা শাহ আবদুল গনী।
আল্লামা শাহ আবদুল গনী চট্টগ্রামে তাসহিহে কুরআনের প্রবর্তক ও পথপ্রদর্শক হবার পাশাপাশি ছিলেন আল-জামিয়া ইসলামিয়া পটিয়ার সাবেক কেরাত বিভাগীয় প্রধান, তানযীমুল কুররা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং আনোয়ারা বখতিয়ার পাড়া তারতীলুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও ছদরে মুহতামিম।
মাওলানা শফিকুল হক আমকুনী (মৃত্যু : ২০ এপ্রিল, ২০১৯)
এপ্রিল ২০, ২০১৯ , শনিবার ইন্তেকাল করেন সিলেটের প্রবীণ আলেম, জামেয়া মাহমুদিয়া সুবহানীঘাট মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম মাওলানা শফিকুল হক আমকুনী।
মাওলানা শফিকুল আমকুনী সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাদেপাশা ইউপির আমকুনা গ্রামের কৃতিসন্তান। সিলেটের প্রবীণ আলেম ও মুরব্বিদের অন্যতম ছিলেন। সিলেটের ধর্মীয় সংকটে নানাভাবে তিনি নেতৃত্বে থেকেছেন অন্যান্য মুরব্বি ওলামায়ে কেরামের সঙ্গে।
তিনি দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
মাওলানা ওবায়দুর রহমান (মৃত্যু : ৩ অক্টোবর, ২০১৯)
৩ অক্টোবর রবিবার ইন্তেকাল করেন টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লেংগুর বিল বড় মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ওবায়দুর রহমান। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
মাওলানা ওবায়দুর রহমান দীর্ঘ ৩ যুগ (৩৬ বছর) ধরে এমদাদীয়া লেঙ্গুর বিল বড় মাদরাসায় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এর আগে ১ যুগ (১২ বছর) টেকনাফ মুহাম্মদীয়া কাছেমুল উলুম মহেশখালীয়া পাড়া মাদরাসায় খেদমত করেছেন ।
আলবিদা
এই চলে যাওয়ার ধারা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। একজন আলেম চলে যাওয়া মানে মাথার ওপর থেকে একখণ্ড শীতল মেঘ সরে যাওয়া। একটি ঝলমলে প্রদীপ নিভে যাওয়া। এক এক করে বাংলাদেশ হারাচ্ছে তার ধর্মীয় অভিভাবক। আলো ও ছায়ার বটবৃক্ষ। শূন্যতা গ্রাস করছে, হাহাকার বাড়ছে।
অসুস্থ হয়ে আছেন আল্লামা আহমদ শফী, আল্লামা আশরাফ আলী, মাওলানা আনওয়ার শাহ-সহ আরও অনেক আলেম। আমাদেরই প্রয়োজনে-কল্যানে তাদের বেঁচে থাকাটা খুব দরকার। দোয়ায় প্রার্থনায় তাদের সুস্থতার মিনতি হয়ে উঠুক আমাদের কান্না, আমাদের অশ্রু। যারা চলে গেছে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে, তাদের মাগফেরাতের জন্য আমাদের হাত উঠুক মহামহিমের দরবারে। তার দরবার হতে, কেউ ফেরে না খালি হাতে।
