আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য গোটা দেশে এনআরসি চালু হওয়ার কথা বিরোধীরাই ছড়াচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতকাল রবিবার রামলীলা ময়দানে দেয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘মিথ্যা কথা বলছেন বিরোধীরা। গোটা দেশে এনআরসি চালু হওয়ার কথা বিরোধীরাই ছড়াচ্ছেন রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য। আমি দেশের ১৩০ কোটি ভারতবাসীকে জানাতে চাই, ২০১৪ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর এখন পর্যন্ত কোথাও কখনো এনআরসি নিয়ে আলোচনা হয়নি। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে শুধু আসামেই এনআরসি করতে হয়েছে।’
অথচ বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহার থেকে গরমাগরম টুইট বা ইন্টারভিউ, অমিত শাহ থেকে রাজ্য নেতা দিলীপ ঘোষ পর্যন্ত বারবার বলেছেন এনআরসি হবেই। চলতি বছরের ১১ এপ্রিল বিজেপি এক টুইট বার্তায় জানায়, সারা দেশে এনআরসি চালু করা হবে। বৌদ্ধ, হিন্দু এবং শিখ বাদে অন্য সকল ধর্মের অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে তাড়ানো হবে।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে সংসদে বিতর্ক চলা অবস্থায় অমিত শাহ বলেন, সারা দেশে যখন এনআরসি চালু করা হবে, তখন সেই ইস্যুটিও সংসদে তোলা হবে। বিতর্ক হবে। ক্যাবের সঙ্গে এনআরসি জড়াবেন না। এটা জেনে রাখুন, এনআরসি আসতে চলেছে।
সম্প্রতি ঝাড়খণ্ডে নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে অমিত শাহ বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে সারা ভারতে এনআরসি চালু করা হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে তাড়ানো হবে।
তাহলে কে মিথ্যা বলছে? মোদি নাকি অমিত শাহ? নাকি বিজেপি?
