আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
নিজেদের নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে রাজধানী তেহরানে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে ইরান। শনিবার সকালে প্রচারিত রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া এক সামরিক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটি। খবর বিবিসির।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমানটি ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণে আগুন লেগে বিধ্বস্ত হয়নি। বরং দুর্ঘটনাক্রমে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে। তাই এসবের জন্য আমরা দায়ী।
এর আগে ৮ জানুয়ারি বুধবার ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস নামের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি তেহরান থেকে উড্ডয়নের কয়েক মিনিট পরই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে যাওয়ার পথে বিধ্বস্ত হয়। এতে বিমানটিতে ১৭৬ জন আরোহী মৃত্যুবরণ করে। এদের মধ্যে ৮২ ইরানি, ৬৩ কানাডিয়ান, ১১ ইউক্রেনের যাত্রী ছিল।
শুরু থেকেই কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্র বিমান বিধ্বস্তের পেছনে ইরানকে দায়ী করলেও অস্বীকার করেছিল ইরান। ইরানের জরুরি সেবার প্রধান পির হোসেন কৌলিভান্দ বলেছিলেন, আগুন লেগে বিধ্বস্ত হয়েছে বিমানটি। ইরানি সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনর প্রধানও জোর দিয়ে বলেছিলেন, ইঞ্জিনের ত্রুটির কারণেই বিধ্বস্ত হয়েছে বিমানটি।
অবশেষে ইরান স্বীকার করল বিমান বিধ্বস্ত করে ১৭৬ জন হত্যায় তারা দায়ী। তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ঘটেছে এই বিমান ক্রাশ।
