
ফাতেহ ডেস্ক
সেন্টমার্টিনের কাছে মালয়েশিয়াগামী শতাধিক যাত্রী বোঝাই একটি ট্রলার ডুবিতে ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড। নিহতদের ১২ জন নারী ও ৩ জন শিশু।
এ ঘটনায় ৭০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে অনেকে। মঙ্গলবার ভোরে ছেঁড়াদ্বীপের কাছে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া ট্রলারের বেশির ভাগ আরোহী ছিল রোহিঙ্গা।
উদ্ধার করা যাত্রীদের বেশির ভাগই নারী। কোস্টগার্ড সূত্র জানায়, তারা কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা।
সেন্ট মার্টিন কোস্টগার্ডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট নাইম উল হক বলেন, গতকাল রাতে টেকনাফ উপকূল দিয়ে দুটি ট্রলার মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। ভোরে সাগরের পাথরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে একটি ডুবে যায়। অন্য ট্রলারটির খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজারের ইনানির মোনাখালী থেকে দুটি মাছ ধরার ট্রলারে করে অন্তত আড়াইশ আরোহী মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে সেন্টমার্টিনের কাছে পৌঁছালে একটি ডুবে যায়। খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের উদ্ধারকারী জাহাজ মনসুর আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরে তাদের সাথে যোগ দেয় নৌ বাহিনীর আরো ২টি উদ্ধারকারী জাহাজ দুর্জয় ও করতোয়া।
উদ্ধার হওয়া কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, দালালদের মাধ্যমে তারা রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবির থেকে বের হয়ে মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্টেশন কমান্ডার শফিকুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে সাগরে পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ট্রলারটি ডুবে যায়।
শীতের সময় সমুদ্র শান্ত থাকে, এই সুযোগে নৌকা বা ট্রলারে করে আইনশৃঙ্খলা এবং সীমান্ত রক্ষীদের নজরদারি এড়িয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার চেষ্টায় থাকে অনেকে।
-এও
