রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণে ১৪ সুপারিশ

ফাতেহ ডেস্ক:

ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গাদের অন্তর্ভুক্তি ঠেকাতে তাদের অবাধ চলাচল বন্ধসহ ১৪টি সুপারিশ উঠে এসেছে। এসব সুপারিশের মধ্যে অন্যতম হল- রোহিঙ্গাদের কেউ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হলে তাদেরকে আগামী নির্বাচনগুলোতে অযোগ্য ঘোষণা করা, পার্বত্য এলাকায় ভোটার হতে গ্রাম কারবারি বা হেডম্যানের প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করা ও রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করা।

বুধবার বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় এসব সুপারিশ উঠে আসে।

ওই সভায় জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সনদ দেয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় জড়িত জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়। বৈঠক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার লক্ষ্যে এ বৈঠক করা হয়। এতে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারাও অংশ নেন। এতে বিভিন্ন মহলের ১৪টি প্রস্তাব ও সুপারিশ উঠে আসে। বৈঠকে জানানো হয়, ২০১৭ সালে একযোগে আসা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার আঙ্গুলের (বায়োমেট্রিক) ছাপ নেয়া হয়।
আঙ্গুলের ছাপের ডাটাবেজ ইসিতে রয়েছে। এসব রোহিঙ্গা ভোটার হওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে আঙ্গুলের ছাপ ডাটাবেজের সঙ্গে যাচাই করে শনাক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু ২০১৭ সালের আগে বা পরে আসা আরও বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গার আঙ্গুলের ছাপ নির্বাচন কমিশনের কাছে নেই। এসব রোহিঙ্গা ভোটার হওয়ার চেষ্টা করলে তাদের আঙ্গুলের ছাপ মেলানো যায় না। এসব রোহিঙ্গার আঙ্গুলের ছাপ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে সংগ্রহের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে অন্য সুপারিশের মধ্যে আছে- নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ৩২টি বিশেষ এলাকার কাগজপত্র আরও কঠোরভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। প্রয়োজনে এসব কাগজপত্র প্রত্যয়ন করে নিতে হবে। দুর্গম এলাকায় ভোটার করার ক্ষেত্রে স্থানীয় গ্রাম কারবারি বা হেডম্যানের প্রত্যয়ন নিতে হবে।

আগের সংবাদশাহবাগের আলো ছড়ানোর মিছিলে ‘জ্বালাও-পোড়াও’ স্লোগান কেন?
পরবর্তি সংবাদ১২০ বছরের মধ্যে মার্কিন নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট