
ফাতেহ ডেস্ক:
দুই দফা পিছিয়ে গিয়েছিল অভিযোগ গঠনের তারিখ। তারপর আজ মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) তৃতীয় দফায় সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জশিটভুক্ত ৮ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত-সমালোচিত ঘটনাটির বিচার কাজ শুরু হলো।
আজ সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই ৮ আসামিকে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতেই অনুষ্ঠিত হয় দুই পক্ষের (আসামি এবং রাষ্ট্রপক্ষ) শুনানি। তারপর আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তারা হলেন- হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের বাসিন্দা ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ এমসি কলেজ শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম (২৫), মিসবাহ উর রহমান রাজন ও আইনুদ্দিন এবং কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)। এর মধ্যে রাজন ও আইনুদ্দিন ছাড়া বাকিরা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এক দম্পতি তাদের নিজের গাড়িতে করে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়াতে যায়। এ সময় আসামিরা স্বামীকে বেঁধে রেখে ছাত্রাবাসে নিয়ে ওই নববধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে। এরপর ওইদিন রাতেই শাহ পরাণ থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী স্বামী।
জানা যায়, অভিযুক্ত ছাত্রলীগের কর্মীরা সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রণজিৎ সরকারের অনুসারী।
