
ফাতেহ ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উদার নীতির সুফল পাবে বাংলাদেশও। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন জানান, নতুন প্রশাসনের সঙ্গে কাজের ক্ষেত্রে খুব একটা ঝামেলায় পড়বে না ঢাকা। তবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন কৌশল নেয়ার তাগিদ বিশ্লেষকদের।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের শপথ নেয়ার পরপরই জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। পাশপাশি প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেরার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ।
যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার পালাবদলে নানামুখি সুবিধা পেতে পারে বাংলাদেশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, জিএসপি সুবিধা- পোশাক রপ্তানিসহ বিনিয়োগের সুবিধা আদায় নির্ভর করছে কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর।
ওয়াইট হাউজের দায়িত্ব নিয়ে বুধবার ১৫টি নির্বাহী আদেশে সই করার মধ্য দিয়ে প্রশাসনিক কাজ শুরু করেছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এর মধ্যে আছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় ফেরা, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া ও জলবায়ু সুরক্ষা জোরদারের মতো বিষয়।
এর আাগে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন জো বাইডেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জন রবার্ট তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।
শপথ নেয়ার পর তিনি তার দেয়া ভাষণে বলেছেন, ‘এই দিনটি গণতন্ত্রের। এই দিনটি আমেরিকার। এই দিনটি ইতিহাস ও আশার দিন।’
তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে আমেরিকাকে পরীক্ষা দিতে হয়েছে, তার দেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আজকে আমরা গণতন্ত্রের বিজয় উদযাপন করছি।’
এই শপথ অনুষ্ঠানে সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন না। যুক্তরাষ্ট্রের দেড়শো বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো বিদায়ী প্রেসিডেন্ট নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।
জো বাইডেন বলেন, ‘আমরা শিখেছি যে গণতন্ত্র অত্যন্ত মূল্যবান।’
তিনি বলেন, যেখানে দাঁড়িয়ে তিনি ভাষণ দিচ্ছেন, সেখানে কয়েকদিন আগে সহিংসতা ঘটে গেছে যা ক্যাপিটল হিলের ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়েছে। তাই এখন তিনি সবাইকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
