কুরআন অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় ইসলামী আন্দোলন

ফাতেহ ডেস্ক:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ ও যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান কুমিল্লার নানুয়ার দিঘীরপাড় পূজা মণ্ডপে মূর্তির পায়ে পবিত্র কুরআন রেখে অবমাননা করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

আজ এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, পূজা মণ্ডপে দেবতার পায়ে পবিত্র কুরআনের অবমাননা করে দেশে ধর্মীয় দাঙ্গা-হাঙ্গামা বাঁধানোর চক্রান্ত রুখে দিতে হবে। তারা বলেন, পূজা মণ্ডপে মূর্তির পায়ের নিচে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন রেখে অবমাননার নিন্দা ও প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। শতকরা ৯২ ভাগ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যে নিরাপত্তা ও অতিমাত্রায় নাগরিক সুবিধা ভোগ করছে, বিশ্বে এমন দৃষ্টান্ত নজিরবিহীন।

তারপরও কিছু স্বার্থান্বেষী চিহ্নিত মহল বারবার ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আঘাত করে সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করছে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি ষড়যন্ত্র কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে। এহেন পরিস্থিতিতে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণের দায়িত্ব প্রশাসনের। প্রশাসন যত দ্রুত ঘটনার মূল রহস্য বের করতে পারবে ততই দেশ এবং জাতির জন্য মঙ্গল হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশের গুলিতে বহুসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ আহত হওয়ার ঘটনা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

নেতৃদ্বয় অবিলম্বে কুমিল্লায় পূজা মণ্ডপে পবিত্র কুরআনের অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, অন্যথায় উদ্ভুত যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনকেই এর দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

আগের সংবাদমণ্ডপে কুরআন অবমাননাকারীদের শাস্তি দাবি ইসলামী ঐক্যজোটের
পরবর্তি সংবাদ‘কুরআন অবমাননার মতো দুঃসাহসের উৎস কী?’