টানা আন্দোলনের পর স্বাভাবিক হচ্ছে গণপরিবহন

ফাতেহ ডেস্ক: টানা আন্দোলনের পর স্বাভাবিক হচ্ছে রাজধানী। তবে সড়কে গণপরিবহনের সংখ্যা বাড়লেও এখনো সংকট কাটেনি। এতে নগরবাসী দুর্ভোগে পড়লেও রাস্তায় মৃত্যু থামাতে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

টানা নয় দিনের আন্দোলনে স্থবির রাজধানী ঢাকা। আন্দোলনের চার দিনের মাথায় নিরাপত্তার অজুহাতে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয় মালিক সমিতি। সড়কগুলো প্রায় সপ্তাহ খানেক গণপরিবন শুন্য থাকায় অসহনীয় দুর্ভোগে পড়ে রাজধানীবাসী।

তবে সোমবার থেকে নগরীতে সীমিত আকারে যানবাহন চলা শুরু করে। তবে, মঙ্গলবার সকাল থেকে গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও কাটেনি গণপরিবহন সংকট।

গাড়ির ফিটনেস ও চালকের লাইসেন্স না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে রাস্তায় নামছে না গাড়ি। তবে, যানবাহনের সংকট থাকলেও সাধারণ মানুষের আশা সড়কে শৃংখলা ফেরাতে প্রশাসন আরো কঠোর হবে।

এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ পাঁচ থেকে এগারো আগস্ট ট্রাফিক সপ্তাহ পালন করছে। রাজধানীর ৪৮টি পয়েন্টে অবৈধ ও ফিটেনেসহীন গাড়ি ও চালকের লাইসেন্স পরীক্ষা করছে ট্রাফিক পুলিশ। সহযোগিতা করছে দুইশোর বেশি স্কাউট সদস্য।

ট্রাফিক সপ্তাহের তৃতীয় দিনে লাইসেন্স না থাকা, ট্রাফিক আইন অমান্যসহ নানা অভিযোগে মামলা হয়েছে ৩ হাজার ৯০৯টি। আটক করা হয়েছে ৭৪টি মোটরসাইকেল।

আগের সংবাদআসামে কেন আপাতত আরাকানের মতো বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই?
পরবর্তি সংবাদসৌদির ‘সালমান সেন্টার’ বন্ধ করে দিল মাহাথির সরকার